ঢাকায় কুকুর-বিড়ালের জন্য আবাসিক হোটেল চালু!

কুকুর আর বিড়ালের জন্য আবাসিক হোটেল! ধারণাটা অপরিচিত হলেও এবার খোদ ঢাকাতেই যাত্রা শুরু হচ্ছে এমন হোটেলের। নাম ফারিঘর। পাঁচশ থেকে পনেরোশ’ টাকার মাঝে রাখা যাবে পোষা কুকুর ও বিড়াল। থাকছে পার্লার, মিউজিক এবং ক্যাফের ব্যবস্থা।

প্রতিটি কুকুরের ঘরের দৈর্ঘ্য ৯ ফুট আর পাঁচ ফুট প্রস্থ। বিছানা, বালিশতো আছে কিন্তু প্রাকৃতিক কাজ? সেটিরও আছে বিশেষ ব্যবস্থা।

কুকুরের কথা শুনে বিড়াল মালিকরা চিন্তায় পড়লেন? তাদের জন্যও ব্যবস্থা থাকছে। প্রতিটি বিড়ালের জন্য এখানে থাকছে ১৬ বর্গফুটের আলাদা কেবিন। বিশেষ আদর-আপ্যায়নের সঙ্গে এখানে থাকবে ক্যাট ট্রি, কুশন এবং লিটারের ব্যবস্থা।

ছোট একটি ক্যাফেও থাকছে নতুন এই যাত্রায়। যাতে, পোশাপ্রাণীটি নিয়ে সময়টা উপভোগ করতে পারবেন যে কেউই। মিরপুরের নতুন এই হোটেল “ফারিঘরে” প্রতি রাতে কুকুরের জন্য গুণতে হবে ১৫০০ টাকা আর বিড়ালের জন্য লাগবে ৫০০।

ফাড়িঘরের স্থপতি রাকিবুল হক এমিল বলেন, আপনি একজন মানবসন্তানকে আত্মীয়ের কাছে রেখে বেড়াতে যেতে পারেন। কিন্তু চাইলেই একটি কুকুরকে আপনি আত্মীয়ের সাথে রেখে যেতে পারবেন না। সবাই প্রাণীর সাথে অভ্যস্ত নাও হতে পারে।

নতুন পরিবেশে মানিয়ে নিতে সময় লাগে পোষাপ্রাণীর। পোষ্যদের মানসিক অবসাদ দূর করতে থাকছে বিনোদনের ব্যবস্থা, সাউন্ড সিস্টেম, টেলিভিশন। থাকছে সার্বক্ষণিক চিকিৎসা সেবা। সব আয়োজন হোটেল কর্তৃপক্ষ করলেও খাবারটা দিতে হবে মুনিবকেই।

রাকিবুল হক এমিল জানান, আমরা পোষা প্রাণীর মালিকদেরকে বিভিন্ন ভিডিও রেকর্ড করে দিয়ে যেতে বলি। এতে আমরা এগুলো টিভিতে প্লে করে প্রাণীকে দেখাবো। এতে প্রাণীটির মনে হকে সে নিজের পরিবারের সাথেই অবস্থান করছে। পাশাপাশি থাকবে সিসিটিভি ক্যামেরা। যার মাধ্যমে দূরে থেকেও নিজের প্রাণীর খোঁজখবর রাখা যাবে।

প্রাণীদের খাবারের বিষয়ে আরেক স্থপতি নুজহাত নাবিলা জানান, আমরা যদি নতুন করে কোনো খাবার আমাদের অতিথি প্রাণীটিকে দেই সেক্ষেত্রে বিভিন্ন রোগ দেখা দিতে পারে। আমরা সেই রিস্ক নিবো না। তাই মালিককেই প্রাণীর খাবারের ব্যবস্থা করে দিয়ে যেতে হবে। সূত্র- যমুনা টিভি।।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *