ইফতার নিয়ে অসহায়দের দ্বারে দ্বারে ছাত্রলীগ নেতা রবিউল ইসলাম অপু

নিজস্ব প্রতিবেদক: করোনাভাইরাসের কারণে দেশজুড়ে চলছে অবরুদ্ধ অবস্থা। এতে কর্মহীন নানা পেশার মানুষ। এমন অবস্থায় সব থেকে বেশি ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন দিনমজুর, রিকশাচালক, স্বল্প আয়ের শ্রমিক-কর্মচারীসহ ক্ষুদ্র আয়ের অসংখ্য পরিবার। ঘরে ঘরে দেখা দিচ্ছে খাদ্যসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর সংকট।

এমন পরিস্থিতিতে অসহায় এসব মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনগুলো। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে করোনায় বিপাকে পড়া মানুষকে সহায়তা করতে বিভিন্ন সেবা চালুর পাশাপাশি অসহায়, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের নানাভাবে সহায়তা দিচ্ছে দলটির নেতাকর্মীরা।

তেমনই একজন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের সহ সভাপতি রবিউল ইসলাম অপু। বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য তিনি তার সাধ্যমত পুরো রমজান মাস রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার হতদরিদ্র মানুষের মাঝে ইফতার বিতরণ করার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। তার এই মানবিক উদ্যোগ সাধারণ জনগণের মধ্যে ছাত্রলীগের ভাবমূর্তি ইতিবাচক মনোভাব তৈরি হয়েছে।

হারুণ নামে এক রিকশাচালক বলেন, শেখ হাসিনার কথা বলে প্রতিদিন বিকালে এক ভাই ইফতার বিতরণ করেন। খোঁজ পেয়ে আমি প্রতিদিন একই সময় ইফতার নিতে এখানে আসি। ওই ভাই ও শেখ হাসিনার জন্য মন থেকে দোয়া করি, তাদের জন্যই আমরা গরীব মানুষ ভালোভাবে ইফতার করতে পারছি।

তিনি বলেন, পুরো ঢাকা শহরে লকডাউন থাকায় কোন যাত্রী নাই টাকাও কামাইতে পারি না। কয়দিন ধরে ঘরে দু’বেলার খাবার আনতে পারি না, কিন্তু এই লোকের দেওয়া খাবার আমি আর আমার বউয়ের ইফতার ও রাতের খাবার হয়ে যায়।

জানতে চাইলে ছাত্রলীগ নেতা রবিউল ইসলাম অপু বলেন, দেশের যেকোন ক্লান্তিকালে দেশের ও দেশের জনগণের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনগুলো। এই করোনা মহামারীর সময় অসহায়, দুস্থ মানুষের অবস্থা শোচনীয় হওয়ায় দেশরত্ন শেখ হাসিনা আপা সাধারণ জনগণের পাশে দাঁড়ানোর জন্য আমাদের নির্দেশ দিয়েছেন। তাই আমরা কিছু ছাত্রলীগের নেতা কর্মীদের সাহায্য সহযোগিতার মাধ্যমে আজ রমজানের ২৩ রোজা পর্যন্ত অসহায় দরিদ্র মানুষকে ইফতার দিয়ে তাদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি।

তিনি বলেন, আমার একার পক্ষে এই ২৩ দিন কার্যক্রমটি চালিয়ে যাওয়া কখনো সম্ভব ছিল না, যদি অন্য ছাত্রলীগের ছোট ভাইরা তাদের সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে না দিত। তাই তাদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ, ইনশাআল্লাহ ৩০ রমজান পর্যন্ত আমরা আমাদের এই কার্যক্রম চালিয়ে যাবো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *