পারিবারিকভাবে চলছিল বিয়ের আলোচনা। এই সুযোগে বাড়ে ঘনিষ্ঠতা। এক পর্যায়ে গোপনে অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি তুলে রাখে ওই যুবক। এরপর এসব ছবি দেখিয়ে ব্ল্যাকমেইল করে বিয়ের আগেই শারীরিক সম্পর্কের প্রস্তাব দেন পাত্রীকে। রাজি না হওয়ায় শুরু হয় ব্ল্যাকমেইল। এভাবেই জোর করে শারীরিক সম্পর্কেও বাধ্য করা হয়।
রাজধানীর শাহবাগ থানায় এমন অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৯-২০ সেশনের শিক্ষার্থী। আর অভিযুক্ত যুবক একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করে মাতারবাড়ী কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্রে পুরকৌশল হিসেবে অস্থায়ী ভিত্তিতে কাজ করছেন।
অভিযোগপত্রে বলা হয়, পারিবারিকভাবে বিয়ের কথা চলায় মিনহাজের সঙ্গে ঢাবি ছাত্রীর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি হয়। এ সুযোগে এক পর্যায়ে গোপনে অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি তুলে রাখে মিনহাজ। সেসব ছবি দেখিয়ে ব্ল্যাকমেইল করে বিয়ের আগেই তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কের প্রস্তাব দেয়। প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল করার হুমকি দেয়।
ভুক্তভোগী ছাত্রীর অভিযোগ, সম্পর্ক থাকা অবস্থায় তিনি গোপনে অন্তরঙ্গ মুহূর্তের স্ক্রিনশট নেন। যেগুলো দিয়ে তিনি ব্ল্যাকমেইল করতে থাকেন ও জোরপূর্বক তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনে বাধ্য করেন। তার কথা না শুনলে সোশ্যাল মিডিয়া ও ইন্টারনেটে এসব ছবি ভাইরাল করে দেওয়ার হুমকি দিতেন। এক পর্যায়ে আমি এগুলো সহ্য করতে না পেরে তথ্যপ্রমাণসহ লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।
শাহবাগ থানার ওসি মওদূত হাওলাদার গণমাধ্যমকে বলেন, থানায় অভিযোগপত্র দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী। অভিযোগ তদন্ত করে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।
