নজর২৪ ডেস্ক- হাফ ভাড়া নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে রাজধানীর ইম্পেরিয়াল কলেজছাত্র নাবিলকে ‘গলাধাক্কা’ দিয়েছিলেন রাইদা পরিবহন বাসের একজন চেকার। এ ঘটনায় সোমবার রামপুরায় রাইদা পরিবহনের সব বাস আটকে দেন শিক্ষার্থীরা।
দুপুর থেকে বিকাল পর্যন্ত শতাধিক বাস রামপুরা রুটে থামিয়ে দেন শিক্ষার্থীরা। পরে আন্দোলনের মুখে শিক্ষার্থীদের দাবি মানতে রাজি হয় বাস কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে নাবিলকে ‘গলাধাক্কা’ দেওয়া বাসের চেকার মাসুদকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। শুধু তাই নয়, সব শিক্ষার্থীর কাছ থেকে অর্ধেক ভাড়া আদায়ের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
রাইদা পরিবহন কর্তৃপক্ষের এমন ঘোষণা পেয়ে আন্দোলন থেকে সরে দাঁড়ায় শিক্ষার্থীরা। এ সময় আটকে থাকা একাধিক বাসে শিক্ষার্থীরা লিখে দেয়, ‘হাফ পাশ (পাস) আছে’।
বিকাল ৫টার পর রামপুরা রুটে আবার চলতে থাকে রাইদা পরিবহনের বাস।
এর আগে, ভাড়া নিয়ে বাক-বিতণ্ডার জেরে এক শিক্ষার্থীকে বাস থেকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে নামিয়ে দেয়ার ঘটনায় উত্তেজনা তৈরি হয় ঢাকার রামপুরায়। জানা যায়, সোমবার দুপুর ১টা ২০ মিনিটে রাইদা পরিবহনের একটি বাস বিটিভি ভবনের সামনে এলে এক শিক্ষার্থী চেকারকে অর্ধেক ভাড়া নেয়ার কথা বলে।
তবে চেকার সেটি নিতে অস্বীকৃতি জানালে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে তাকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বাস থেকে নামিয়ে দেয়া হয়। এরপর সেই শিক্ষার্থী ফোন দিয়ে আশেপাশে থাকা অন্য বন্ধুদের ডেকে এনে এই পরিবহনের ৫০টিসহ ওই রুটের শতাধিক বাস আটকে রাখে। এ ঘটনায় ওই অঞ্চলের যানচলাচলও বন্ধ থাকে প্রায় এক ঘণ্টা। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ সময় রাইদা পরিবহনের মালিক পক্ষের সাথে কথা বললে শিক্ষার্থীর জন্য হাফ পাস চালু করতে সম্মত হয় রাইদা পরিবহনের ম্যানেজিং ডিরেক্টর। এর আওতায় ঢাকা শহরের যে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা পরিচয়পত্র দেখালে তাদের কাছ থেকে হাফ ভাড়া নিতে এবং নারীদের সংরক্ষিত আসনে পুরুষ বসতে না দেয়ার দাবি মেনে নিয়েছে এই পরিবহেনের মালিকপক্ষ।
