ড্রেনে পানি প্রবাহ বন্ধ, নাগরপুরের সহবতপুর বাজারে জলাবদ্ধতায় দুর্ভোগ

নাগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি- টাঙ্গাইলের নাগরপুরের সহবতপুর ইউনিয়ন সদর বাজারে ড্রেনের প্রধান পানি প্রবাহ পথ বন্ধ থাকায় বাজারের পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা অকার্যকর হয়ে পড়েছে। ফলে বাজারের দোকানিরা সহ স্থানীয় ক্রেতাসাধারণ চরম দুর্ভোগের মধ্যে রয়েছে।

 

একটু বৃষ্টি হলেই ডুবে থাকে বাজারের প্রধান সড়ক এবং জলাবদ্ধতা দেখা দেয় ভেতর বাজার পর্যন্ত। ড্রেনেজ ব্যবস্থা সচল না থাকায় কোথাও কোথাও পানি জমে দূষণ হচ্ছে এবং এডিস মশা লার্ভার জন্মের আশংকা করা হচ্ছে।

 

সরেজমিনে পুরো বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রধান সড়কের পাশে ড্রেন অর্ধেক দেখা মিলছে অর্ধেক মাটি ভরাট হয়ে বন্ধ হয়ে গেছে। মধ্য বাজারে ড্রেন থাকলেও জমে আছে পানি এবং খালের সাথে ড্রেনের প্রধান পানি প্রবাহের বাহির পথ পুরো বন্ধ আছে। এছাড়াও যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা ফেলায় বিভিন্ন স্থানে স্থানে ড্রেন বন্ধ হয়ে আছে।

 

বাজারের দোকানি সুকুমার বলেন, একটু বৃষ্টি হলেই বাজার পানিতে ভরে যায়। আমাদের চলাচল করতে কষ্ট হয়। ড্রেনের মুখ বন্ধ থাকায় এই সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে।

 

ড্রেনেজ ব্যবস্থার এমন বেহাল অবস্থা সম্পর্কে সহবতপুর বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ জিকরুল হাসান পিয়াস জানায়, আমরা অবগত আছি যে, বাজারে সকল ড্রেনের বাহির মুখ বন্ধ থাকায় বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে ব্যাপক দুর্ভোগ হয়। আমরা বণিক সমিতি স্থানীয় চেয়ারম্যানের সাথে সমন্বয় করে দ্রুত সমস্যা সমাধানে চেষ্টা করবো।

 

এই দুর্ভোগ বিষয়ে জানতে চাইলে সহবতপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান তোফায়েল আহমেদ মোল্লা ময়লা স্তুপ করে রাখা ও ড্রেন বন্ধ থাকার কথা স্বীকার করে বলেন, আমি নিজ উদ্যোগে বাজারে প্রতিটি দোকানে ড্রাম ডাস্টবিন বসিয়েছি কিন্তু দোকানিরা নির্দিষ্ট ডাস্টবিনে ময়লা না ফেলে অন্যত্র যেখানে সেখানে ময়লা ফেলায় ড্রেনের মুখ বন্ধ হয়েছে। আমরা অতিদ্রুত বাজার বণিক সমিতিকে সাথে নিয়ে এই জলাবদ্ধতার সমস্যা সমাধান করবো এবং ড্রেনের কোথায় কোথায় মুখ বন্ধ আছে পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিবো।

 

বৃষ্টিতে রাস্তায় পানি জমে থাকার কারণে চলাচলে দুর্ভোগে পড়তে হয় বাজারে যাতায়াতকারী জনসাধারণ ও স্থানীয় এলাকাবাসীসহ স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের। তারা দ্রুত ড্রেনেজ ব্যবস্থার সমস্যার স্থায়ী সমাধান চায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *