নজর২৪ ডেস্ক- আলোচিত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালিতে টাকা আটকা পড়ে সর্বস্বান্ত হওয়ার পথে গ্রাহক ও পণ্য সরবরাহকারীরা। অনেকেই ইভ্যালির লোভনীয় অফারের ফাঁদে পড়ে পণ্য কিনে বিক্রি করতেন। তাদের টাকাই আটকা পড়েছে বেশি। প্রতিষ্ঠানটির এমডি ও চেয়ারম্যানের মুক্তি না হলে বা মুক্তি হলেও গ্রাহকরা টাকা ফেরত পাবেন কিনা সেই শঙ্কায় দিন কাটছে তাদের।
প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে গ্রাহকের মামলায় ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রাসেল ও চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন র্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হয়ে এখন কারাগারে। এরপর থেকেই ইভ্যালির লাখ লাখ গ্রাহকের কপালে ভাঁজ। লোভের অফারে ধরা খেয়ে পথে নেমেছেন ভুক্তভোগীরা।
নিউ মাকের্টের মাসুমা আক্তার বিথি নামে এক বিক্রেতার আটকা পড়েছে ৯৮ লাখ টাকা। তার মতো টাকা আটকা পড়ে মাথায় হাত পড়েছে ঢাকার রামপুরার গ্রাহক রাশিদা বেগম, কুমিল্লার মেহেদি হাসানসহ নানা অঞ্চলের অসংখ্য মানুষের।
টাকা ফেরত পেতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়েছেন ইভ্যালির মাধ্যমে পণ্যের ক্রেতা-বিক্রেতাসহ ভুক্তভোগীরা।
বিথী জানান, নিউ মার্কেটের বিশ্বাস বিল্ডার্স এবং নিউ পল্টনে তাঁর দুটো শোরুম আছে। মেয়েদের পোশাক এবং রান্না সামগ্রীর ব্যবসা তাঁর। মহামারিতে অন্য সবার মতো দেড় বছর ধরে ব্যবসাতেও চলছিল দুঃসময়। এই দেড় বছরের মধ্যে কয়েক মাস মার্কেট বন্ধ থাকায় একপ্রকার বাধ্য হয়েই তিনি ইভ্যালিতে পণ্য সরবরাহ বাড়িয়ে দিয়েছিলেন। ভেবেছিলেন দেরিতে হলেও টাকাটা অন্তত পাবেন।
কিন্তু ইভ্যালির মালিক এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোহাম্মদ রাসেল গ্রেপ্তার হওয়ায় সব হারানোর শঙ্কায় পড়ে গেছেন। তাঁর আশা, রাসেল মুক্তি পেলে টাকা ফেরত পাবেন। অন্যথায় কেউ তাঁর টাকা ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা করবে না।
