শাহীন মাহমুদ রাসেল, কক্সবাজার প্রতিনিধি: কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য, রামু উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি পদপ্রার্থী এবং মৃত্যুর পর রামু উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হওয়া হোসাইন মাহমুদ রিফাতের ৪ চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
মঙ্গলবার (১৭ আগষ্ট) দুপুরের নামাজের পর উপজেলার ফঁতেখারকুল ইউনিয়নেন মন্ডল পাড়া এলাকার জামে মসজিদে রামু উপজেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে ছাত্রলীগের সাবেক নেতা মরহুম হোসাইন মাহমুদ রিফাতের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে তার স্মরণে এই দোয়া মাহফিল ও কবর জিয়ারত করেন।
এতে রামু উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা তসলিম উদ্দীন সোহেল, হুমায়ুন বিন কাশেম হিরু,হুমায়ুন কবির, আলমগীর সায়েম রনি, শাহিন সরওয়ার কাজল, মেহেদী হাসান রিয়াদ, আরিফুল ইসলাম, বোরহান উদ্দিন, নজরুল ইসলাম, বাপ্পি রামু কলেজ ছাত্র নেতা মোহাম্মদ আশিক, রাইহান, রাকিব সহ প্রমূখসহ নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
জানা গেছে, রামু উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি পদপ্রার্থী হোসেন মাহমুদ রিফাতকে তার মৃত্যুর পর উপজেলা সভাপতি ঘোষণা করে কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগ। ব্রেইন স্ট্রোকে মারা যান রিফাত।
কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মোরশেদ হোসেন তানিম সেদিন রামুতে রিফাতের জানায় অংশ তাকে রামু উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, যতোদিন রামু উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটি হবে না, ততোদিন রিফাত উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হিসেবে থাকবেন। এ ঘোষণার পরপর জানাজায় উপস্থিত ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা কান্নায় ভেঙে পড়েন।
প্রসঙ্গত, গত ৩ বছর ধরে কক্সবাজারের রামু উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হওয়ার চেষ্টা চালিয়ে আসছিলেন রিফাত। স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও দলীয় সংসদ সদস্যের কোন্দলের কারণে রামু উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণা করতে পারছিল না জেলা ছাত্রলীগ।
জীবদ্দশায় না হলেও মৃত্যুর পর রিফাতকে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ঘোষণা করা হয়।
রিফাত কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের সদস্য ছিলেন। তিনি রামু উপজেলা ছাত্রলীগের বিগত আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ম-আহ্বায়ক ছিলেন। সেই আহ্বায়ক কমিটি ভেঙে দিলেও রামু আওয়ামী লীগ ও স্থানীয় সংসদ সদস্যের কোন্দলের কারণে নতুন কমিটি ঘোষণা করতে পারেনি জেলা ছাত্রলীগ।
গত ১৬ আগস্ট ২০১৭ সালে হঠাৎ নিজ বাড়িতে ব্রেইন স্ট্রোকে মারা যান রিফাত। তার মা শনিবার সকালে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আসার পর বিকালে রামু স্টেডিয়ামে জানাজা শেষে রিফাতকে পারিবারিক গোরস্থানে দাফন করা হয়।
