নজর২৪ ডেস্ক- রাজধানী ঢাকাকে মসজিদের শহর বলা হয়। ঢাকার ছোট অলি-গলি থেকে শুরু করে বড় রাস্তার পাশেও মসজিদ পাওয়া যায়। ঢাকায় কতগুলো মসজিদের সঠিক সংখ্যা জানা না গেলেও, বলা হয় মসজিদের শহর।
শুক্রবার জুমার নামাজে ঢাকার মসজিদগুলোয় মুসল্লিদের ব্যাপক সমাগম দেখা যায়। তবে বর্তমানে করোনা নিয়ন্ত্রণে সারাদেশে কঠোর লকডাউন চলাকালীন মসজিদে নামাজ আদায়ে সরকার কিছু নির্দেশিকা জারি করেছে।
শুক্রবার রাজধানীর দু’টি মসজিদ ঘুরে ইউএনবির ফটোসাংবাদিকরা ভিন্ন চিত্র তুলে ধরেছেন।
বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে তুলনামূলক কম সংখ্যক মুসল্লি সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে জুমার নামাজ আদায় করেছেন। এছাড়া সকাল থেকে বৃষ্টির কারণে আজকে অন্য জুমার তুলনায় কম মুসল্লি মসজিদে নামাজ পড়তে গিয়েছেন।
অন্যদিকে, কোনো সামাজিক দূরত্ব বজায় না রেখেই সোবহানবাগ মসজিদের সামনের রাস্তায় মুসল্লিদের নামাজ পড়তে দেখা যায়। সোবহানবাগ মসজিদে নামাজ পড়ার সময় অনেক মুসল্লিদের মাস্ক পরতে দেখা যায়নি।
দেশে করোনাভাইরাসের ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হওয়ার পর এর উর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণে সরকার ঘোষিত বৃহস্পতিবার থেকে সারাদেশে এক সপ্তাহের কঠোর লকডাউন চলছে।
এর আগে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় বুধবার সাত দিনের কঠোর লকডাউন চলাকালীন সারাদেশে মসজিদে জামাতে নামাজ পড়ার ক্ষেত্রে কতিপয় বিধি-নিষেধ আরোপ করে নির্দেশনা জারি করে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, মসজিদের প্রবেশদ্বারে হ্যান্ড স্যানিটাইজার-হাত ধোয়ার ব্যবস্থাসহ সাবান-পানি রাখতে হবে এবং আগত মুসল্লিদেরকে অবশ্যই মাস্ক পরে মসজিদে আসতে হবে। শিশু, বয়বৃদ্ধ যে কোন অসুস্থ ব্যক্তি এবং অসুস্থদের সেবায় নিয়োজিত ব্যক্তি জামাতে অংশগ্রহণ করা হতে বিরত থাকবে।
মন্ত্রণালয় প্রত্যেককে নিজ নিজ বাসা থেকে ওযু করে, সুন্নাত নামাজ ঘরে আদায় করে মসজিদে আসার আহ্বান জানিয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, মসজিদে কারপেট বিছানো যাবে না। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের আগে সম্পূর্ণ মসজিদ জীবানুনাশক দ্বারা পরিস্কার করতে হবে, মুসল্লিরা প্রত্যেকে নিজ নিজ দায়িত্বে জায়নামাজ নিয়ে আসতে হবে।
