শামছুজ্জামান বাবুল, নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি: মহান মুক্তিযুদ্ধে সেনাসদস্য হিসাবে অংশগ্রহন করেন ময়মনসিংহের নান্দাইলের বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল বারী ভূইয়া।
মুক্তিযুদ্ধে তাঁর বীরত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ রাষ্ট্র তাঁকে পাঁচটি পদকে ভূষিত করেন। পদকগুলো হল- রণ পদক, সমর পদক, মুক্তি তারকা পদক, জয় পদক ও সংবিধান পদক।
কিন্তু আব্দুল বারী ভূইয়া শুধুমাত্র একজন সাধারণ মুক্তিযোদ্ধা হিসাবেই তালিকাভূক্ত হয়েছেন। পাঁচটি সামরিক পদক লাভের পরও পিতার বীরত্ব সূচক এই পদকের বিপরীতে বিশেষ খেতাবের স্বীকৃতি না পাওয়ায় সোমবার প্রেসক্লাব নান্দাইলে সাংবাদিকদের সাথে এক অবহিতকরণ সভা করেছেন ওই মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের পক্ষথেকে কনিষ্ঠ পুত্র আল আমিন ভূইয়া।
লিখিত বক্তব্য তিনি জানান, ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার কুল ধুরুয়া গ্রামের মৃত আবিদ হোসেন ভূইয়ার পুত্র বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল বারী ভূইয়া। ম্যাট্রিকুলেশন পাশ করার পর পাকিস্থানী সেনাবাহিনীতে যোগদান করেন।
মুক্তিযুদ্ধের সময় ১১নং সেক্টর থেকে তিনি যুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশ গ্রহন করেন। (গেজেট খন্ড-৫, ইএমই নং-১৫৫৬৬, আর্মি অর্ডার ০৩/২০০০ অনুযায়ী ক্রমিক নং-১৭০৪০)।
যুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য তিনি পাঁচটি সামরিক স্মারক পদক-রণ পদক, সমর পদক, মুক্তি তারকা পদক, জয় পদক ও সংবিধান পদক লাভ করেন। কিন্তু আব্দুল বারী ভূইয়া শুধু একজন সাধারণ মুক্তিযোদ্ধা হিসাবেই তালিকাভূক্ত হয়েছেন।
এক প্রশ্নের জবাবে আল আমিন ভূইয়া জানান, আব্বা যখন বেঁচে ছিলেন তখন ছোট ছিলাম, তাই তখন কোন পদক্ষেপ নিতে পারিনি। এ ব্যাপারে তিনি কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
অন্যথায় আইনের দ্বারস্ত হবেন বলেও জানান। আব্দুল বারী ভূইয়া ২০১৪ সালে বার্ধক্যজনিত কারণে মারা গেলে তাঁকে রাষ্ট্রিয় মর্যাদায় সমাহিত করা হয়।
এ বিষয়ে নান্দাইল মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলে সাবেক কমান্ডার গাজী আব্দুস সালাম ভূইয়া বীর প্রতীক জানান, ওই মুক্তিযোদ্ধা কেন পেলেননা তার উত্তর যথাযথ কর্তৃপক্ষ দিতে পারবেন।
