ওয়ালটন ফ্রিজ কিনে ১৮ লাখ টাকার প্রাইভেটকার পেলেন রতন লাল

দেশীয় পণ্য ওয়ালটন ফ্রিজ কিনে ১৮ লাখ টাকা মূল্যের সর্বোচ্চ পুরস্কার প্রাইভেটকার জিতে নিলেন শার্শা উপজেলার নাভারণ রেল বাজার স্টেশন পল্লীর রতন লাল নামে সনাতন ধর্মাবলম্বীর এক সরকারী চাকুরীজীবি।

গত ২৪ মে বুধবার নাভারণ সাতক্ষীরা মোড়ে অবস্থিত ওয়ালটন শোরুম থেকে পণ্য কিনে তিনি এই পুরস্কার জিতে নেন। দেশের ভিতর “সিজন-২” এর আওতায় এই সর্বপ্রথম সর্বোচ্চ মূল্যের প্রাইভেটকার উপহার পেলেন রতন লাল নামে এ ব্যক্তি।

এ ঘটনা ছড়িয়ে পড়লে গোটা শার্শা উপজেলাসহ যশোর জেলার অলিতে-গলিতে ওয়ালটন শোরুম এর পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালানো হয়।

শুধু তাই নয় সর্বোচ্চ এই প্রাইভেটকার পুরস্কারটি পুরস্কার দাতার হাতে তুলে দেন বাংলাদেশ ফ্লিম ইন্ডাস্ট্রিজের পর্দা কাপানো অভিনেতা ও ওয়ালটনের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ অফিসার চিত্র নায়ক আমিন খান।

সোমবার (২৯ মে) বিকেলে নায়ক আমিন খান ওয়ালটন পরিবারের সদস্যদেরকে নিয়ে রতন লালের বাড়িতে এসে পুরস্কারের গাড়িটি হস্তান্তর করেন এবং পুরস্কার দাতার পরিবারের সদস্যদের সাথে কুশল বিনিময় করেন। পরে তাদেরকে নিয়ে গাড়িতে করে নাভারণ এলাকার বিভিন্ন জায়গায় ভ্রমণ করেন তিনি।

পরে বিকালে নাভারণ সাতক্ষীরা মোড়স্থ ওয়ালটন শোরুম এর সামনে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের মধ্য দিয়ে সেই কাঙ্খিত পুরস্কার প্রাইভেটকারের চাবি হস্তান্তর করেন নায়ক আমিন খানসহ ওয়ালটন পরিবারের সদস্যবৃনন্দরা।

এসময় ওয়ালটনের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ অফিসার নায়ক আমিন খান বলেন, ওয়ালটন পণ্য দেশীয় পণ্য, সবাই দেশীয় পণ্য কিনবেন দেশের টাকা দেশেই থাকবে। দেশীয় পণ্য থাকতে আজকে যারা বিদেশি পণ্য কিনছেন তারা নিজেরাই জানেন না কিভাবে দেশের টাকা বিদেশে পাঠাচ্ছেন। দেশের অন্যান্য কোম্পানি পুরস্কার দেওয়ার কথা বলে কথা না রাখলেও ওয়ালটন পরিবার নিজেদের কথা রাখে বলেই দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় কোম্পানির নাম ওয়ালটন।

এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটনের সিইও মোহাম্মদ রায়হান, ওয়ালটন হাইটেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি’র ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর হুমায়ুন কবীর, ওয়ালটন নাভারণ ব্রাঞ্চের ম্যানেজার আমির হোসেন, শার্শা উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সোহরাব হোসেন, উপজেলা শ্রমিক লীগের যুগ্ম-আহবায়ক ও ইউপি সদস্য আবুল হোসেনসহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *