নেপালকে ৩-১ গোলে হারিয়ে সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জিতেছে বাংলাদেশ। দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলে বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠত্ব নারী দলের এবারই প্রথম। এর আগে ২০১৬ সালে ভারতের শিলিগুড়িতে ভারতের বিপক্ষে খেলে হেরেছিল বাংলাদেশ। এবার নেপালের কাঠমুন্ডুতে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।
ট্রফি নিয়ে বুধবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টা ৪৫ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নামেন ইতিহাস গড়া নারীরা। এরপরই বাসে উঠে শিরোপা জয়ের আনন্দে মেতে উঠেন তারা।
এদিকে সাবিনা-সানজিদাদের দক্ষিণ এশিয়া জয়ের বন্দনায় মাতছে পুরো দেশ। বিভিন্ন জন বিভিন্নভাবে তাদের এই জয়কে তুলে ধরছেন, অভিনন্দন জানাচ্ছেন।
বুধবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাতে মালয়েশিয়া থেকে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন জনপ্রিয় ধর্মীয় বক্তা মিজানুর রহমান আজহারী।
তিনি লেখেন, ‘সাফ উইমেন চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের নারী ফুটবল দলের অর্জনকে কেন্দ্র করে দেশের আম জনতা যখন বিজয়োল্লাসে ব্যস্ত, ঠিক একই ঘটনাকে পুঁজি করে কিছু ধূর্ত লোক ইসলাম বিদ্বেষের নগ্ন উন্মাদনায় ব্যস্ত। দেশ ও দশের কাজে যাদের সিকিভাগ অবদান নেই।
আরে ভাই, সেলিব্রেট করার একটা উপলক্ষ এসেছে তো সেলিব্রেট করুন। এ বিজয়কে ইসলামের বিরুদ্ধে দাঁড় করাচ্ছেন কেন? খেলোয়াড় মেয়েগুলো তো স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞতা স্বরুপ মাঠেই সিজদায় লুটিয়ে পড়তে দেখলাম। তাদেরও তো কোন এন্টি ইসলাম এটিচিউড নেই। কিন্তু কিছু উজবুক রীতিমত ব্যাপারটাকে লেজেগোবরে করে ফেলেছে।
একটা পজিটিভ বিষয়কে ভিন্ন আঙ্গিকে ম্যানুপুলেট করে তাদের এই বস্তা পঁচা সস্তা ইসলাম বিদ্বেষের কূটকৌশল ইসলামপন্থীরা বহু আগে থেকেই অবগত।
দেশের আম জনতাও অবগত যে— দেশের বিভিন্ন অর্জন ও সংস্কৃতিকে নানান চেতনা ও অপসংস্কৃতির রঙ মাখিয়ে দেশের ইসলামপন্থীদেরকে কীভাবে বারবার কোণঠাসা করে রাখার অপপ্রয়াস চালানো হয়।
ইনশাআল্লাহ, ইসলাম প্রিয় এই মুসলিম দেশে ইসলাম বিদ্বেষীদের রঙ তুলির আচড় আর গোবর ভরা মাথার ফাঁকা বুলির ফাঁপর, কোনোটাই জন-মানুষের মনে ইসলাম ও আলেম বিদ্বেষের বিষবাষ্প ঢোকাতে পারবে না। বরং তাদের কূটকৌশল বুমেরাং হয়ে তাদের অসল চেহারাটাই প্রকাশ করে দেবে।’
