লক্ষ্মীপুরে বাল্য বিয়ের শিকার হয়েছে এক কিশোরী। বরযাত্রী খাওয়া দাওয়া শেষ করে নববধূ নিয়ে বাড়িতে রওনা দেয়। কন্যাপক্ষও গাড়িতে তুলে কিশোরী মেয়েকে শ্বশুরবাড়িতে পাঠায়। তবে শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার আগেই হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে ওই কিশোরী বধূকে। সেখানেই চিকিৎসাধীন আছে নববধূ।
বৃহস্পতিবার (৩১ মার্চ) সন্ধ্যায় সদর উপজেলার লাহারকান্দি ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের রামানন্দি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। কিশোরীকে সদর হাসপাতালে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। সে স্থানীয় একটি উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রী ছিল।
পারিবারিক সূত্র জানায়, রামানন্দি গ্রামের রুহুল আমিনের ছেলে ওমান প্রবাসী নুর আলমের (২৯) সঙ্গে বৃহস্পতিবার ৫ লাখ টাকা কাবিনে শারমিনের বিয়ে হয়। বিয়েতে বরপক্ষের ৪০০ মানুষের আতিথেয়তার আয়োজন করা হয়। সন্ধ্যায় শ্বশুরবাড়িতে নেওয়ার পথে শারমিন হঠাৎ অচেতন হয়ে পড়ে। পরে তাকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
শারমিনের চাচা হেলাল উদ্দিন বলেন, বিয়ে ও পারিবারিক আনুষ্ঠানিকতা শেষে শারমিনকে গাড়িতে উঠিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু পথে গাড়িতেই সে অচেতন হয়ে পড়ে। শারমিন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী বললেও কোন ক্লাসে পড়েন জানতে চাইলে তিনি তা এড়িয়ে যান।
ইউপি সদস্য মোজাম্মেল হোসেন মোহাব্বত বলেন, ঘটনাটি আমার জানা নেই। আমি এলাকায় ছিলাম না।
লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক আরমানুর রহমান অপু বলেন, মেয়েটি অতিরিক্ত টেনশনে অসুস্থ হয়ে পড়েছে। তাকে হাসপাতালে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
