অধিক লাভের আশায় ২০১৩ সালে ৮৩ শতাংশ জমির উপর ৬ প্রজাতির ৪৭টি সাপ নিয়ে রাজবাড়ীর কাঁদাসহ গ্রামে খামার স্থাপন করেন রবিউল ইসলাম। পরিকল্পনা ছিলো, খামারে উৎপাদিত সাপের বিষ রপ্তানির।
ধীরে ধীরে বড় হতে থাকে খামার। তবে, তার স্বপ্নে বাধা হয়ে দাঁড়ায় দেশের প্রচলিত আইন। দেশে বাণিজ্যিকভাবে সাপের খামার করার কোন বৈধতা নেই। দীর্ঘ দিনেও মেলেনি সরকারি অনুমোদন। ফলে, ক্রমাগত লোকসানের মুখে পড়েন তিনি।
বর্তমানে রঞ্জুর খামারে দুই প্রজাতির ১৭টি গোখরা ও ২টি পায়থন রয়েছে। প্রতিদিনের খামার খরচ উঠাতে এখন তার হিমশিম অবস্থা। নিবন্ধন না পেয়ে নিরুৎসাহিত হচ্ছেন তিনি। সরে আসতে চাইছেন এই ব্যবসা থেকে।
তবে বিভাগীয় বন কর্মকর্তা নির্মল কুমার পাল জানান, বাণিজ্যিকভাবে সাপের খামারের বৈধতা না থাকলেও আইন পরিবর্তনের চেষ্টা চলছে।
ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য সাপের বিষ মূল্যবান কাঁচামাল। তাই এটি রফতানি করে বৈদেশিক মুদ্রা আয় করা সম্ভব বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশে বিষধর সাপের দংশনের চিকিৎসার সুযোগ অনেক মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেই। সাপেকাটা রোগীর চিকিৎসায় যে অ্যান্টিভেনম ইনজেকশন লাগে, সেটা বানাতেও দরকার হয় সাপের বিষ। কিন্তু সাপ চাষ ও বিষ আহরণের আধুনিক ব্যবস্থা নেই দেশে।
