‘আমাদের শিল্পী সমিতির এবারের ফাণ্ডে আমরা ১২ লাখ টাকা জমা রেখেছি। এবারের নির্বাচনে আমরা জয়ী হলে বা আমাদের প্যানেলে এলে শিল্পীদের এই ১২ লাখকে আমরা ৫০ লাখ করে যাবো ইনশাল্লাহ।’ বলছিলেন মিশা সওদাগর।
আগামী ২৮ তারিখে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন। এফডিসিতে অনুষ্ঠিত হবে এই নির্বাচন। এবারের নির্বাচনে দুটি প্যানেল নির্বাচন করছে। একটি ইলিয়াস কাঞ্চন- নিপুণ পরিষদ অন্যটি মিশা সওদাগর-জায়েদ খান পরিষদ।
নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্প্রতি হয়ে গেলো মিশা-জায়েদ পরিষদের প্যানেল পরিচিতি। যেখানে কথাগুলো বলেন মিশা। পাশাপাশি বলেন তাদের প্যানেলের মতো প্যানেল আর পাবেন না। এখানে সবাই যোগ্য ও সাংগঠনিক ও কাজের।
তিনি বলেন, ‘আমাদের মধ্যে অনেকেরই বাড়ি-গাড়ি আছে। অনেকের আবার নেই। যাদের নেই, তাদের থাকার ব্যবস্থা করার জন্য আমরা আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আপিল করব, যেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ১০-২০ বিঘা জায়গার মধ্যে শিল্পীদের থাকার জন্য একটা ব্যবস্থা করে দেন। শিল্পী সমিতি এবার দায়িত্বে এলে এটি নিয়ে সবচেয়ে বেশি কাজ করবে।’
মিশা আরও বলেন, ‘এটা কিন্তু মিথ্যা লোভ না। সরকার এরই মধ্যে শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্ট করে দিয়েছে। এটার জন্য খেয়ে না খেয়ে মন্ত্রণালয় পড়ে থেকেছি, বারবার বলেছি এবং সেটা প্রধানমন্ত্রী করে দিয়েছেন।’
ভোটারদের মন আর বিবেককে প্রশ্ন করে সিদ্ধান্ত নেয়ার আহ্বান জানিয়ে মিশা বলেন, ‘আমরা ঠিক বললাম না ভুল বললাম, বিগত চার বছর কী করেছি কী করিনি, তা বিবেচনা করে ভোট দেবেন। অনেকে আপনাদের আম-কলা দেখাবে, আমরা বিচি কলা সঠিকভাবে দিতে পেরেছি। আমরা ভাত দিতে পারলে ভাত দেব, পোলাওয়ের কথা বলব না।’
সমিতি থেকে কিছু শিল্পীর সদস্যপদ বাতিল হওয়ার বিষয় নিয়েও কথা বলেন মিশা। তিনি বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে আইনের জটিলতা দূর হোক। আমি ওয়াদা করছি, যারা যোগ্য তাদের ফিরিয়ে আনব, কিন্তু যারা যোগ্য লোক না, তাদের কাউকে নেয়া হবে না ভাই, এটা বলে রাখলাম। তা না হলে আমি রিজাইন করব।’
