রাজিব আহমেদ রাসেল, স্টাফ রিপো্র্টার: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে স্থাপিত রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ এর উদ্দোগে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিত হয়েছে।
সোমবার (১০ জানুয়ারি) বেলা ৩টায় রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের বিসিক বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন অস্থায়ী একাডেমিক ভবন-১ এ নির্মিত বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পূস্পস্তবক অর্পণ করেন উপাচার্য্য ডাঃ শাহ আজম শান্তনু ও রেজিস্ট্রার মোঃ সোহরাব আলী। এরপর বঙ্গবন্ধুর আত্মার মাগফেরাত কামনা করে ১মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।
এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি, সকল বিভাগের চেয়ারম্যান শিক্ষক, প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবং অর্থ ও হিসাববিভাগের কর্মকর্তারা আলাদা আলাদা পূস্পস্তবক অর্পণ করেন।
প্রস্পস্তবক অর্পণ শেষে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য্য ডাঃ শাহ আজম শান্তনু বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের উপর আলোচনা করে তিনি বলেন, ১৬ই ডিসেম্বর বাংলাদেশের বিজয় সূচিত হলেও বিজয়ের সূর্য যেন রক্তিম ছিল না। কারণ, বাঙালি জাতির শৃঙ্খলমুক্তির স্বপ্নদ্রষ্টা, বাংলাদেশ নামক কাব্য যিনি রচনা করেছিল, পোয়েট অব পলিটিক্স খ্যাত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে বাঙালি তখনও কাছে পায়নি।
পাকিস্তানের একটি কারাগারে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়ে তাঁকে বন্দি করে রাখা হয়েছিল। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রনেতাদের অব্যাহত চাপে ৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে মুক্তি দিলে লন্ডন ও দিল্লি হয়ে ১০ জানুয়ারি তিনি বাংলাদেশে পৌঁছান।
উপাচার্য বলেন, অনেক বুদ্ধিজীবী ও গবেষক মনে করেন, মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত বিজয় সূচিত হয়েছিল ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি। এসময় তিনি আরও বলেন, বাংলার মহানায়ককে যারা সপরিবারে হত্যা করেছে এবং সেইসব ঘাতককে যারা নানাভাবে সহযোগিতা করেছে তারা বাংলাদেশের নাগরিক হওয়ার যোগ্যতা রাখে না। তাদের শাস্তি নিশ্চিত করা উচিৎ এবং নামের তালিকা প্রস্তুত করে রাস্তার মোড়ে টাঙিয়ে দেওয়া উচিৎ যাতে করে নতুন প্রজন্ম সেইসব বিশ্বাসঘাতককে চিনে রাখতে পারে।
বঙ্গবন্ধুর আমৃত্যু লালিত স্বপ্ন বাস্তবে রূপ দিতে যিনি অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন সেই মানুষটি অর্থাৎ বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার প্রতি তিনি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের
সকল বিভাগের শিক্ষক, প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
