নারায়ণগঞ্জ- নির্বাচন থেকে সরে যেতে নানাভাবে চাপ দেয়া হচ্ছে অভিযোগ তুলে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন (নাসিক) নির্বাচনের স্বতন্ত্র মেয়র পদপ্রার্থী তৈমূর আলম খন্দকার বলেছেন, প্রয়োজনে তিনি পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে বসে নির্বাচন করবেন। তবু ভোট থেকে সরবেন না।
তৈমূর বলেন, ‘নানা অজুহাতে কর্মী-সমর্থকদের আটক করা হচ্ছে। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনে বার বার অভিযোগ দিলেও কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।’
মঙ্গলবার (১১ জানুয়ারি) সকালে নগরের মিশনপাড়া এলাকায় প্রধান নির্বাচনী কেন্দ্রে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন বিএনপি থেকে সদ্য অব্যাহতি পাওয়া এ নেতা।
তৈমূর আলম খন্দকার হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, আমার নেতাকর্মীদের আর কাউকে গ্রেপ্তার করা হলে আমি পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সামনে গিয়ে অবস্থান নেব। সেখান থেকেই আমি নির্বাচন পরিচালনা করব। দেশবাসী আমার সঙ্গে থাকবে।
তৈমূর বলেন, সোমবার রাতে বন্দর থেকে আমার ১৭ জন কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কমপক্ষে ৪০ জনের বাড়িতে অভিযান চালানো হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যায় আমার প্রধান নির্বাচন সমন্বয়ক জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মনিরুল ইসলামকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তার অভিযোগ, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানকের ‘ঘুঘু দেখেছেন, ঘুঘুর ফাঁদ দেখেননি’ হুঙ্কার দেওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তার নেতাকর্মীদের ওপর পুলিশি হয়রানি শুরু হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে তৈমূর আলমের উকিল মেয়ে রেশমী অভিযোগ করে বলেন, তৈমূর আলমের হাতি প্রতীকে কাজ করায় সোমবার গভীর রাতে ২২নং ওয়ার্ড থেকে আমার স্বামী আশরাফুল ইসলামকে ধরে নিয়ে গেছে পুলিশ। অথচ তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নেই। স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে কাজ করায় আমাকেও হুমকি দেওয়া হয়েছিল। তখন আমি বুঝিনি। এখন বুঝতে পারছি।
