শীতে কাঁপছে ঢাকাও

নজর২৪ ডেস্ক- পৌষের মাঝামাঝিতে এসে শীত টের পাওয়া যাচ্ছে সারাদেশে, বিশেষ করে রাজধানীসহ ঢাকা বিভাগের অধিকাংশ অঞ্চলে দেশের অন্য স্থানের তুলনায় বেশি শীত অনুভূত হচ্ছে।

 

রোববার (০২ জানুয়ারি) রাজধানীতে রোদের তেজ তেমন ছিল না। তার উপর শুষ্ক বাতাস কাঁপন ধরিয়েছে হাঁড়ে। ফলে রাস্তায় সবাইকে গায়ে মোটা কাপড় চেপে বের হতে দেখা গেছে।

 

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, দিন ও রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য কমে গেলে শীতের অনুভূতি বাড়ে। এক্ষেত্রে একদিনের ব্যবধানে দেশে সবচেয়ে বেশি দিন ও রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য কমেছে ঢাকা, টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জে। ফলে এসব স্থানে শীত লাগছে বেশি। আরও দু’দিন এই অবস্থা বিরাজ করতে পারে।

 

এছাড়াও রংপুর, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগেরও কোনো কোনো জেলায় শীতের প্রকোপ বেড়েছে।

 

ঢাকা আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়াবিদ একেএম রুহুল কুদ্দুছ জানিয়েছেন, রোববার ঢাকায় দিন ও রাতের অর্থাৎ সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পার্থক্য রেকর্ড করা হয়েছে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, টাঙ্গাইলে ৭ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ফরিদপুরে ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, মাদারীপুরে ৬ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং গোপালগঞ্জে ৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

 

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, রোববার দেশে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে টেকনাফে ২৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা শ্রীমঙ্গলে ৯ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

 

সোমবার (৩ জানুয়ারি) রাত ও দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে। মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া থাকবে শুষ্ক। এছাড়া মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত ঘন কুয়াশা পড়বে। মঙ্গলবার (৪ ডিসেম্বর) নাগাদ রাতের তাপমাত্রা ক্রমান্বয়ে হ্রাস পাবে। তবে বর্ধিত পাঁচদিনের আবহাওয়ার সামান্য পরিবর্তন হবে।

 

চলতি মৌসুমে ২০ ডিসেম্বর চুয়াডাঙ্গায় ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। সে সময় এ তিন দিন রাজশাহী, পাবনা, নওগাঁ, পঞ্চগড়, কুড়িগ্রাম, যশোর, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা ও বরিশাল অঞ্চলে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ ছিল।

 

এরপর বছরের শেষ দিনে মৌসুমের দ্বিতীয় শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যায় পঞ্চগড় ও কুড়িগ্রাম জেলার উপর দিয়ে। শুক্রবার তেঁতুলিয়ায় দেশের সর্বনিম্ন ৮.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *