অবহেলিত নরিনা ইউনিয়নকে দেশের অনুকরনীয় করে গড়ে তুলবেন সনজিত কুমার

রাজিব আহমেদ রাসেল, স্টাফ রিপোর্টার: আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তৃতীয় ধাপের তফসিল অনুযায়ী আগামী ২৩ ডিসেম্বর সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের ১৩টি ইউনিয়নের মধ্যে ১০টি ইউনিয়নে নির্বাচনের দিন ধার্য্য রয়েছে। এই নির্বাচনকে ঘিরে ইউনিয়ন গুলোর সর্বোত্র উৎসবের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।

 

এই ইউপি নির্বাচনে শাহজাদপুর উপজেলার ১২নং নরিনা ইউনিয়নের প্রতিদ্বন্দ্বীতা করার ঘোষণা দিয়েছেন প্রকৌশলী সনজিত কুমার রায়। চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে নরিনা ইউনিয়নের মানুষের আর্তসামাজিক উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভুমিকা রাখতে চান।

 

বৃহস্পতিবার (১৮ নভেম্বর) সকালে নরিনা বাজারে সাংবাদিকদের সাথে বতবিনিময় করেন সনজিত কুমার রায়।

 

নরিনা ইউনিয়নের নরিনা মধ্যপাড়ার স্বর্গীয় ফটিক চন্দ্র রায়ের ও পরিবার পরিকল্পনায় কর্মরত রেনু বালা রায়ের ছেলে প্রকৌশলী সনজিত কুমার রায়। ছোটবেলা থেকেই মিশুক প্রকৃতির সনজিত কুমার ১৯৯৪ সালে নরিনা উচ্চবিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাশ করেন।

 

১৯৯২-১৯৯৪ সাল পর্যন্ত নরিনা উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি ছিলেন। ১৯৯৬ সালে বগুড়া পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটে ভর্তি হন, সেখানে বগুড়া জেলা ছাত্রলীগের সদস্য হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন।

 

শিক্ষাজীবন শেষে সনজিত কুমার এসবিডিএল নামের একটি আবাসন প্রতিষ্ঠানের পরিচালক হিসেবে ব্যবসা শুরু করেন এবং নিজের মেধা, ভদ্রতা ও যোগ্যতা দিয়ে খুব দ্রুত ব্যবসায় উন্নতি করেন। পাশাপাশি জাতীয় কবিতা মঞ্চ কেন্দ্রীয় কমিটির পরিচালকমন্ডলীর অন্যতম সদস্য, জাতীয় পল্লী আলো সাহিত্য পরিষদের সাধারন সম্পাদক হিসেবে সুনামের সাথে আজ অবধি দায়িত্ব পালন করে চলেছেন।

 

তিনি নরিনা হাইস্কুল এলামনাই এ্যাসোসিয়েশনের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সচিব, শাহজাদপুর রবীন্দ্র স্মৃতি সাহিত্য সংসদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি গত ২০১১ সালে নিজস্ব অর্থায়নে নরিনা কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার নির্মাণ করেন।

 

প্রকৌশলী সনজিত কুমার রায় বলেন, আমার পিতা মাতা সবসময় এলাকার মানুষের সুখে দুঃখে তাদের পাশে থাকতেন। আমি সেই উদার বাবা মায়ের আলোয় বেড়ে উঠেছি। আমিও সবসময় সাধ্যমত সহযোগীতা নিয়ে এলাকাবাসীর পাশে দাঁড়াই। করোনা মহামারির সময় আমার ব্যক্তিগত অর্থায়নে অনেক মানুষকে সহযোগীতা করেছি।

 

সৃষ্টিকর্তা আমাকে অনেক কিছু দিয়েছে, এখন এলাকাবাসীকে আমার দেওয়ার পালা। আমি এলাকাবাসীর প্রতি ভালোবাসা ও দ্বায়বদ্ধতার কারণেই ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আমার ভালোবাসার প্রতিক নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী।

 

আমি নির্বাচিত হতে পারলে চির অবহেলিত এই নরিনা ইউনিয়ন পরিষদকে যুগোপযোগী, আধুনিক, ডিজিটাল ও জনবান্ধব প্রতিষ্ঠানে পরিণত করবো। সরকারি সকল সহযোগীতা নিষ্ঠার সাথে দুঃস্থ্য, অসহায় ও দরিদ্র মানুষের কাছে পৌছে দেবো এবং প্রণিত তালিকায় নতুনভাবে দুস্থ্যদের যুক্ত করবো। জনগণের হক নিশ্চিত করা গেলেই তাদের উন্নয়ন তরান্বিত হবে।

 

তিনি আরো বলেন, নির্বাচিত হতে পারলে মাদক, সন্ত্রাস ও অনিয়মের বিরুদ্ধে লড়াই করবো। অত্র ইউনিয়েনের প্রতিটি রাস্তা টেকসই করে তৈরি করবো এবং জনসাধারণের চলাচল নির্বিঘ্ন করার লক্ষ্যে নতুন নতুন রাস্তা ও সড়ক নির্মাণ করবো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *