বিনোদন ডেস্ক- ‘আজীবন পাশে থাকব বলে এ মাসেই দুজনে কবুল বলেছিলাম। পাশে ছিলাম, আছি, থাকব শেষ পর্যন্ত, ইনশাআল্লাহ।’ বিবাহবার্ষিকীর মাসে এভাবেই আরজে নীরবের প্রতি নিজের ভালোবাসার জানান দিলেন তার স্ত্রী অভিনেত্রী লাবণ্য লিজা।
তিনি আরও জানিয়েছেন, ‘ভালোবাসি, বিশ্বাস করি নিজের থেকেও বেশি। আর সম্মান করি সব কিছুর ঊর্ধ্বে।’
প্রতিটি মুহূর্তে আরজে নীরবকে অনুভব করেন লাবণ্য। দুজনের পরিচয় হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত কখনো এতদিন আলাদা থাকেননি তারা। তাদেরকে সবসময় একে অন্যের ভালোবাসার রেখার মধ্যে দেখা গেছে। আর তাই বর্তমান পরিস্থিতিতে স্বামীকে একটু বেশিই মিস করছেন এই অভিনেত্রী।
সোমবার (১৮ অক্টোবর) দুই বছর আগে পোস্ট করা একটি ছবি শেয়ার করে নীরবের স্ত্রী লিখেছেন, ‘আমাদের দেখা হওয়ার দিন থেকে আজ পর্যন্ত এই প্রথম এতগুলো দিন আমরা আলাদা (সঙ্গে মন খারাপের ইমোজি)। আল্লাহ সহায় হোক।’
নীরবের উদ্দেশে স্ত্রী লাবণ্যর ভাষ্য- তোমাকে নিয়ে আমি গর্বিত, আরও বেশি হব। এই অন্ধকার কেটে যাবে, ইনশাআল্লাহ। অন্য সবার থেকে আমি ভালো করে জানি, তুমি দোষী নও। তুমি সবসময় তোমার সাধ্যের বাইরেও মানুষকে সাহায্য করেছ। তুমি কখনও কাউকে আঘাত করার কথা ভাবতেও পারো না। কিন্তু আমি ভালো করে চিনতেছি, কে আমাদের বন্ধু আর কে শত্রু।
নীরব-লাবণ্য দম্পতির একমাত্র মেয়ে নিয়া। বয়স তিন বছর। বাবার কোল ছাড়া সে ঘুমাতো না। বাবা চোখের আড়াল হওয়ার পর থেকেই সারা বাড়িতে বাবাকে খোঁজে এই শিশুকন্যা। এখনও প্রতিরাতে জেগে জেগে বাবার সঙ্গে মিছে মিছে কথা বলে সে। তার চাওয়া, ‘পাপ্পা তুমি আসো।’
‘কেন চলে গেলেন নিয়াকে একা ফেলে? আপনি তো জানেন আপনার হাতের ওপর ছাড়া ওর ঘুম আসে না! আমাকে আর নিয়াকে কার কাছে রেখে গেলেন নীরব?’ এভাবেই নিজের আবেগ প্রকাশ করেছেন নীরবপত্নী।
প্রতারণার অভিযোগে গত ৩ অক্টোবর কিউকমের প্রধান নিবার্হী কর্মকর্তা (সিইও) রিপন মিয়াকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। এরপর কয়েকদিন পর ৮ অক্টোবর ভোরে রাজধানীর আদাবর এলাকা থেকে নীরবকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ওইদিনই তেজগাঁও থানার মামলায় নিরবের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। রিমান্ড শেষে ১০ অক্টোবর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর লালবাগ থানার মামলায় তারও রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
