ইভ্যালির ‘অর্থপাচার’ নিয়ে তদন্ত করবে না দুদক!

নজর২৪ ডেস্ক- আলোচিত ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম ইভ্যালির বিরুদ্ধে ‘তিনশ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের’ অভিযোগের অনুসন্ধানে নামার সাড়ে তিন মাসের মাথায় তদন্ত থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

 

দুদক বলছে, ইভ্যালিসহ ই-কর্মাস কমিশনের ‘তফসিলভুক্ত’ নয়। তাই এ সংক্রান্ত অনুসন্ধান এ সংস্থাটি করবে না।

 

মঙ্গলবার (১৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় দুদক প্রধান কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান কমিশন চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ।

 

ইভ্যালিসহ ই-কমার্স খাতে নানা অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। ইতোমধ্যে দুদক ই-ভ্যালি নিয়ে অনুসন্ধান শুরু করেছে। এ বিষয়ে অগ্রগতি আছে কি না জানতে চাইলে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘ই-কমার্স বা ইভ্যালির বিষয়টি দুদকের শিডিউলভুক্ত নয়। মানিলন্ডারিংয়ের কথা যখন হয়েছিল তখন আমরা অনুসন্ধানে নিয়েছিলাম। এখন মানিলন্ডারিংসহ ইভ্যালির বিষয়টি অন্যান্য সংস্থা দেখবে।’

 

এ বিষয়ে তিনি আরও বলেন, দুদকের তফসিলভুক্ত নয় বিধায় ই-ভ্যালির বিষয়টি দেখার দায়িত্ব পুলিশের সিআইডির। এটা তারা দেখবে।

 

এর আগে গত ২ সেপ্টেম্বর দুদক সচিব ড. মু. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার অনেকটা একই রকম ইঙ্গিত দিয়ে বলেছিলেন, ইভ্যালি নিয়ে শুধু আমরা কাজ করি না। অন্যান্য সংস্থাও কাজ করছে। এক্ষেত্রে অন্যান্য সংস্থাগুলো তাদের তদন্তে অগ্রগতি কিংবা যে পদক্ষেপ নেবেন, সেগুলোও আমরা অনুসন্ধানে স্বার্থে আমলে নেব। মানিল্ডারিং সংক্রান্ত অপরাধ কিংবা জনগণ বা রাষ্ট্রের অর্থ আত্মসাতের বিষয়টি কতটুকু হয়েছে, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি।

 

গত ৪ জুলাই ইভ্যালির বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে দুদকসহ চার প্রতিষ্ঠানকে চিঠি দেয় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এর পরপরই দুদকের সহকারী পরিচালক মামুনুর রশীদ চৌধুরী ও উপসহকারী পরিচালক মুহাম্মদ শিহাব সালামের সমন্বয়ে টিম গঠন করে অনুসন্ধান শুরু করে সংস্থাটি।

 

গত ৯ জুলাই দুদকের অনুসন্ধান টিমের সুপারিশের ভিত্তিতে ইভ্যালির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন ও এমডি মো. রাসেলের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *