নজর২৪, ঢাকা- জামিনে মুক্তি পেলে পুনরায় প্রতারণাসহ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়াতে পারেন ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোহাম্মদ রাসেল এবং তার স্ত্রী প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন। এতে মামলার তদন্তে বিঘ্ন ঘটানোর আশংকা রয়েছে।
গুলশান থানার প্রতারণার মামলায় তিন দিনের রিমান্ড শেষে মঙ্গলবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুর একটা ২৫ মিনিটের দিকে তাদের ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়।
এ সময় তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করে এসব কথা উল্লেখ করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ওয়াহিদুল ইসলাম।
তদন্ত কর্মকর্তা আবেদনে উল্লেখ করেন, ইভ্যালির রাসেল ও শামীমা অত্যন্ত সুচতুর, ধুরন্ধর এবং কৌশলী। রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে তারা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ধরনের কথাবার্তা বলেছেন। এ সময় গুরুতর প্রশ্ন কৌশলে তারা এড়িয়ে যান। তারপরও আসামিরা রিমান্ডে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন যা তদন্তের স্বার্থে যাচাই-বাছাই চলছে। এ মামলার তদন্তের স্বার্থে পুনরায় তাদের রিমান্ডে নেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে। তাই তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদেরকে কারাগারে আটক রাখা একান্ত প্রয়োজন।
এদিন তাদের ধানমন্ডি থানার প্রতারণার আরেক মামলায় সাত দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেছে পুলিশ। ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর হাকিম হাসিবুল হকের আদালতে এ রিমান্ড শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
উল্লেখ্য, তিন দিনের রিমান্ড শেষ ইভ্যালির মো. রাসেল ও তার স্ত্রী শামীমা নাসরিনকে আজ দুপুরে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়েছে। বর্তমানে তাদের আদালতের হাজত খানায় রাখা হয়েছে।
আদালতের হাজতখানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক শহিদুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
