নজর২৪, দিনাজপুর- দিনাজপুরের বিরলে এক নারীর বিরুদ্ধে স্কুলছাত্রীকে গণধর্ষণে সহযোগিতার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত নারীসহ এক অভিযুক্ত ধর্ষককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
গত ৩ অক্টোবর উপজেলার চককাঞ্চন এলাকার জীবনমহল পার্ক ও ঢাকার বাইপাইল এলাকায় এসব ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় তিনজনকে আসামি করে মামলা করেছেন ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর বাবা।
মামলার তথ্যানুযায়ী, ভুক্তভোগী ছাত্রী ষষ্ঠ শ্রেণিতে লেখাপড়া করেন। ৩ অক্টোবর বাড়ি থেকে কোচিংয়ে যাওয়ার সময় শানু আরা নামের এক নারীর সহযোগিতায় তাকে ফুসলিয়ে ও বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে নিয়ে যায় পলাশবাড়ী ইউপির মুন্সিপাড়ার বুদু মোহাম্মদ ওরফে বছিরের ছেলে লিটন হোসেন ও কটিয়াপাড়ার বেলাল হোসেনের ছেলে মো. মোস্তফা ধলু।
সেখানে একটি কক্ষে দুপুর ২টা থেকে ৪টা পর্যন্ত ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করে লিটন ও মোস্তফা। এ সময় ধর্ষণে সহায়তা করে সানু। পরে সেখান থেকে শহরে এসে বাসে করে ওই কিশোরীকে তারা ঢাকায় নিয়ে যায়। পরের দিন অর্থ্যাৎ ৪ অক্টোবর সকালে ঢাকার বাইপাইল এলাকায় একটি হোটেলের কক্ষে ওই কিশোরীকে আবারও লিটন ও মোস্তফা কয়েকবার ধর্ষণ করে। এসময় ধর্ষণে সহায়তা করে সানু। কিশোরীর অবস্থা খারাপ হলে ওই দিন রাতেই আবারও বাসে করে দিনাজপুরে নিজ বাড়ির কাছে পৌঁছে দেয় সানু।
বাড়িতে ফিরে ঘটনাটি ওই কিশোরী তার পিতা-মাতাকে বলে দেয়। পরে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ফারুক আযমের সহায়তায় ৫ অক্টোবর বিকেলে মামলা করে ধর্ষিত কিশোরীর পিতা। পুলিশ রাতেই ধর্ষক লিটন ও ধর্ষণে সহায়তাকারী সানুকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। তবে, পালিয়ে যায় আরেক ধর্ষক মোস্তফা। লিটন ও সানুকে আদালতের মাধ্যমে জেল-হাজতে পাঠানো হয়েছে।
বিরল থানার ওসি (তদন্ত) মো. আব্দুল কাদের জানান, স্কুলছাত্রীকে পালাক্রমে ধর্ষণের অভিযোগে করা মামলায় শানু আরা নামের এক নারী ও লিটন নামের এক অভিযুক্ত ধর্ষককে গ্রেফতার করা হয়েছে। এরইমধ্যে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। অপর পলাতক মোস্তফাকে গ্রেফতার করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
