নজর২৪, ঢাকা- চলচ্চিত্রের অভিনয়শিল্পী পরীমনিকে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগের ঘটনায় অন্যতম অভিযুক্ত তুহিন সিদ্দিকী অমি। সোমবার দুপুরে তাকেসহ পাঁচজনকে উত্তরা থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।
এদিকে এ ঘটনার পর অমির দক্ষিণখানে রিক্রুটিং এজেন্সির অফিসে অভিযান চালিয়ে ১০২টি পাসপোর্ট উদ্ধার করেছে পুলিশ। সেখান থেকে দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
এ ঘটনায় বুধবার (১৬ জুন) অমিসহ ২ কর্মচারীর বিরুদ্ধে পাসপোর্ট অপরাধ আইনে মামলা করে সাভার থানা পুলিশ। মামলায় অমিসহ তিনজনকে আসামি করা হয়েছে। বাকি দুজন অমির অফিসের কর্মচারী বাছির ও মশিউর।
পুলিশের উত্তরা বিভাগের উপকমিশনার মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম সংবাদমাধ্যমকে বলেন, রাজধানীর দক্ষিণখানের সিঙ্গাপুর ট্রেনিং সেন্টার নামের অমির একটি রিক্রুটিং এজেন্সিতে অভিযান চালানো হয়। এখান থেকে ১০২টি পাসপোর্ট জব্দ এবং দুজনকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন- বাছির ও মশিউর। এ ছাড়া উত্তরা পশ্চিম থানা এলাকায় আরেকটি ট্রাভেল এজেন্সিতে অভিযান চালায় পুলিশ। এখান থেকে কিছু পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, রোববার (১৩ জুন) রাত ৮টার দিকে নিজের ফেসবুক পেজে স্ট্যাটাস দিয়ে পরীমণি জানান, তাকে হত্যা ও ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে তিনি লেখেন, ‘আমি শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছি। আমাকে রেপ এবং হত্যা করার চেষ্টা করা হয়েছে। আমি এর বিচার চাই।’
এরপর সেদিন রাত সাড়ে ১০টার দিকে বনানীর বাসায় সাংবাদিকদের কাছে ঘটনায় অভিযুক্ত হিসেবে নাসির ইউ মাহমুদ ও তুহিন সিদ্দিকী অমিসহ অচেনা কয়েকজনের কথা উল্লেখ করেন পরী। এই ঘটনায় সোমবার (১৪ জুন) সকালে সাভার থানায় ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিনসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন তিনি। সেই মামলায় নাসির-অমিসহ ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
