জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি রুহুলকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ

নজর২৪, চুয়াডাঙ্গা- নাশকতার পরিকল্পনা মামলায় চুয়াডাঙ্গা জেলা জামায়াতের সেক্রেটারির জামিন আবেদন গ্রহণ না করে তাকে জেলহাজতে পাঠিয়েছে আদালত।

 

জেলা মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতের বিচারক মিজানুর রহমান রোববার দুপুরে রুহুল আমিনকে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেন। এই মামলার আরেক আসামি পৌর জামায়াতের আমির মাসুদ পারভেজ রাসেলকে জামিন দিয়েছে আদালত।

 

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন কাইজার হোসেন জোয়ার্দ্দার শিল্পী ও শরীফ উদ্দীন হাসু।

 

মামলার বিবরণ সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের ১৯ মার্চ রাতে জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা রাষ্ট্রের অনিষ্ট সাধন ও অন্তর্ঘাত কর্মকাণ্ডে একত্রিত হচ্ছে এ সংবাদের ভিত্তিতে সদর থানা পুলিশ চুয়াডাঙ্গা কবরী রোডে অভিযান চালায়।

 

এ সময় তারা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে বেশ কয়েকজন পালিয়ে যেতে পারলেও একজনকে আটক করে। আটক শরীফ হাসানের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তার গুলশান পাড়ার বাড়িতে লুকিয়ে রাখা অবস্থায় পুলিশ রাষ্ট্রবিরোধী উস্কানিমূলক বই উদ্ধার করে।

 

এ ঘটনায় ১৯ মার্চ রাতে চুয়াডাঙ্গা সদর থানার এসআই জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে ৩ জনের নাম উল্লেখসহ আরও কয়েক জনকে অজ্ঞাত আসামি করে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ১৫/২৫-ডি ধারায় মামলা দায়ের করেন।

 

এ মামলায় জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ও কেন্দ্রীয় কমিটির সুরা সদস্য রুহুল আমিন ও চুয়াডাঙ্গা জামায়াতের পৌর আমির মাসুদ পারভেজ রাসেল উচ্চ আদালত থেকে ৪ সপ্তাহের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন নেন।

 

রোববার (৩০ মে) তাদের জামিনের মেয়াদ শেষ দিন ছিল। রুহুল আমিন ও মাসুদ পারভেজ রাসেল চুয়াডাঙ্গা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মিজানুর রহমানের আদালতে জামিনের আবেদন করেন। চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক জামিন শুনানি শেষে রুহুল আমিনের জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠানোর আদেশ দেন। আর মাসুদ পারভেজ রাসেলের জামিন মঞ্জুর করেন। এরপর পুলিশ প্রহরায় রুহুল আমিনকে চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগারে নেওয়া হয়।

 

উল্লেখ্য, এ মামলায় পুলিশ শরীফ হাসান, জব্বারুল ইসলাম ও এমডিকে সুলতানকে গ্রেপ্তার করেন। তারাও জেলহাজতে রয়েছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *