সাইফুল ইসলাম মুকুল, রংপুর ব্যুরো: হেফাজতের হুমকি, করোনার সংক্রমণ রোধ, মাহে রমজানের পবিত্রতা রক্ষা ও নিরাপত্তা ইস্যুতে শক্ত অবস্থান নিয়েছে রংপুর মহানগর পুলিশ। যেকোনো ধরনের নাশকতা ঠেকাতে নগরজুড়ে নেওয়া হয়েছে কয়েক স্তরের কড়া নিরাপত্তা।
পুলিশের পাশাপাশি গোয়েন্দা বিশেষ শাখা কাজ করছে। মহানগর পুলিশের ছয়টি থানায় ভারী অস্ত্র তাক করে নিরাপত্তাব্যবস্থা করা হয়েছে আরো জোরদার। নগরীর অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলোয় সতর্ক নজরদারি রাখার পাশাপাশি চিহ্নিত অপরাধী, সন্ত্রাসীদের ব্যাপারেও তথ্য সংগ্রহ করছে গোয়েন্দারা।
নগরীর ৫৭টি পয়েন্টে উচ্চ রেজল্যুশনের সিসিটিভি ২৪ ঘণ্টাই পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। এই তৎপরতায় এবার রমজানে নগরীতে চুরি, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, ডাকাতি, ইভ টিজিং ও রাহাজানিসহ সব বিষয়ে মনিটর করা হবে।
রংপুর মহানগর পুলিশের অপরাধ বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) আবু মারুফ হোসেন জানিয়েছেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরিপত্র ও মহানগর পুলিশ কমিশনার মোহা. আবদুল আলীম মাহমুদের নির্দেশনায় বলা হয়েছে চরম নৃশংসতার মধ্য দিয়ে উত্থান হওয়া ‘হেফাজতে ইসলাম’ জননিরাপত্তার জন্য এখন অনেকটাই হুমকি।
এ ছাড়া পবিত্র রমজানে বিশেষ নিরাপত্তার জন্য ছয় থানায় বিশেষ টিম তৈরি করা হয়েছে। বিদেশি নাগরিক, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তার বিষয়টি মাথায় নিয়েই বিশেষ ছক করা হয়েছে। অপরাধীর খোঁজে নগরজুড়ে ওত পেতে আছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
কোতোয়ালি থানার ওসি আব্দুর রশিদ জানিয়েছেন, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে থানা এলাকাকে সুরক্ষার আওতায় নেওয়া হয়েছে। ভারী অস্ত্রশস্ত্রে জোন ভাগ করে দায়িত্ব পালন করছেন পুলিশ সদস্যরা। প্রধান গেট বন্ধ করে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সাধারণ মানুষকে দেওয়া হচ্ছে সেবা। আগত মানুষদের শরীর ও হাতে থাকা ব্যাগসহ অন্যান্য জিনিসপত্র তল্লাশি করে থানায় প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে।
