নজর২৪, ঢাকা- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি আখতার হোসেন বলেন, ‘দেশের ১৬কোটি মানুষ মোদিকে স্বাগত জানায়নি। কিন্তু আওয়ামী সরকার মোদিকে আনতে মরিয়া হয়ে গেছে। আসলে গদি বাঁচাতেই মোদিকে প্রয়োজন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আপনাদের গদি ধরে টান মারবে।’
এ সময় আরসি, সিআইএ করে করে লাখ লাখ ভারতীয় বাংলাদেশে ঢুকানোর পায়তার চলছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
বুধবার (২৪ মার্চ) বিকেল ৪টায় শহিদ মিনার থেকে শামসুন্নাহার হল, রাজু ভাস্কর্য, টিএসসি প্রদক্ষিণ শেষে ডাস (ঢাকা ইউনিভার্সিটি স্ন্যাক্স) ছাত্র অধিকার পরিষদের সমাবেশে এ কথা বলেন তিনি। ছাত্র অধিকার পরিষদের সকলকে কালো পতাকা মিছেলের ব্যানারে সমাবেশ করতে দেখা যায়।
স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আগমনের প্রতিবাদে পূর্বঘোষণা অনুযায়ী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে ছাত্রলীগের ‘অদম্য অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশ’ ছাত্র সমাবেশের বিপরীতে ছাত্র অধিকার পরিষদ এ সমাবেশের আয়োজন করে।
সমাবেশে মোদি বিরোধী আন্দোলনে গতকাল প্রগতিশীল ছাত্রজোটের উপর ছাত্রলীগের হামলার তীব্র প্রতিবাদ জানান। এর যথাযথ বিচার দাবি করেন ছাত্র অধিকারের নেতৃবৃন্দ। সমাবেশ শেষে নরেন্দ্র মোদির কুশপুতুল পোড়ান ছাত্র অধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা।
রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে পূর্বঘোষিত কর্মসূচি করার কথা থাকলেও ছাত্রলীগের ‘অদম্য অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশ’ ছাত্র সমাবেশ চলায় ডাস এর সামনেই এ সমাবেশ করেন তারা।
মোদির আগমন এবং মঙ্গলবার ঢাবি ক্যাম্পাসে মোদিবিরোধী কর্মসূচিতে ছাত্রলীগের হামলার প্রতিবাদে বিকেলে কালো পতাকা মিছিল করে ঢাবি ছাত্র অধিকার পরিষদ। পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী বিকেলে রাজু ভাস্কর্যে মিছিল অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও সেখানে আগে থেকে ছাত্রলীগ অবস্থান নেওয়ায় সমাবেশস্থল পরিবর্তন করে সংগঠনটি।
পরে মিছিলটি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে শুরু হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসির সড়কদ্বীপ, রাজু ভাস্কর্য এবং শামসুন নাহার হল প্রদক্ষিণ করে ডাসের সামনে এসে সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। মিছিলে তারা মোদিবিরোধী এবং হামলার বিচার দাবিতে বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দেয়।
পরিষদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি আখতার হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক আকরাম হোসাইনের সঞ্চালনায় সমাবেশে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মুহাম্মদ রাশেদ খান, যুগ্ম আহ্বায়ক ফারুক হাসান, মশিউর রহমান, মাহফুজুর রহমান খান, সোহরাব হোসেন, ঢাবি শাখার সাবেক সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লা প্রমুখ।
