গয়হাটা ইউপি’তে মনোনয়নের জন্য দৌড়ঝাপ

নাগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি: আগামী ২২ মার্চ থেকে ৪ জুন পর্যন্ত ৪ হাজার ২৭৫ ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন ৬ ধাপে অনুষ্ঠিত হওয়ার জন্য নির্বাচন কমিশন সম্ভাব্য তফসিল ঘোষণা করেছে।

 

সেই ঘোষণা অনুসারে গয়হাটা ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে অংশ নিতে ইচ্ছুক প্রার্থীরা পাড়ায় পাড়ায় গিয়ে দোয়া ও সমর্থন আদায়ের প্রতিযোগিতায় নেমেছে। তারা বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে নির্বাচনী উপস্থিতির জানান দিচ্ছে।

 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও ভোটারদের কাছে নিজেদের তুলে ধরার চেষ্টা করছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা। মনোনয়ন পেতে জেলা উপজেলা থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সাথে যোগাযোগও শুরু হয়েছে ইতিমধ্যে।

 

চেয়ারম্যান প্রার্থীরা হলেন-শেখ শামসুল হক, মোঃ রাশেদুল ইসলাম রাশেদ, মেহেদী হাসান রয়েল, মাফুজ রানা ও বিএমএম জহিরুল আমিন।

 

চেয়ারম্যান প্রার্থী ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ শামসুল হক বলেন, আমি আসন্ন গয়হাটা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে মনোনয়ন প্রত্যাশী। নৌকা প্রতীক পেলে আমার বিজয় অবশ্যাম্ভাবী।

 

সকলকে সাথে নিয়ে সরকারের সকল উন্নয়ন কর্মকান্ড সুষ্ঠ ও সমবন্টন করবো। ইউনিয়নের সকল প্রতিষ্ঠান এবং রাস্তা ঘাটের উন্নয়ন করবো।

 

গয়হাটা ইউনিয়ন আ:লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ রাশেদুল ইসলাম রাশেদ বলেন, বিগত ইউপি নির্বাচনে দলীয় সিধান্তকে উর্ধে রেখে দলীয় প্রার্থীর বিজয় নিশ্চিত করতে কাজ করেছি।

 

আসন্ন ইউপি নির্বাচনে আপনাদের স্বপ্ন এবং প্রত্যাশা পূরণে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসাবে মাঠ আছি। আমি মনোনয়নের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদি।

 

সামাজিক ভেদাভেদ দূরীকরণ, শিক্ষা, সংস্কৃতি ও খেলাধুলার বিকাশ ঘটানো, রাস্তাঘাটের উন্নয়ন এবং সকলের সমন্বয়ে উন্নয়নে সুষমবন্টনের মাধ্যমে আপনাদের স্বপ্ন ও প্রত্যাশা পূরণই আমার অঙ্গীকার।

 

চেয়ারম্যান প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান রয়েল বলেন, আমি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে অবহেলিত এই ইউনিয়নকে মডেল ইউনিয়ন হিসাবে গড়ে তুলবো। মাদক সমাজের একটি বড় ব্যাধি, বাল্য বিবাহ ও যৌতুক প্রথা এখনও সমাজে বিদ্যমান।

 

এসব নির্মূল করাই আমার প্রধান লক্ষ্য। সমাজের সকল বৈষম্য আর দুর্নীতিকে নির্মূল করে, অবহেলিত, অসহায় মানুষের পাশে থেকে কৃষক, শ্রমজীবী মানুষ ও নারী সমাজের অধিকার আদায়ে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে আমি বদ্ধপরিকর। এজন্য সকলের দোয়া ও সহযোগীতা কামনা করছি।

 

অপর প্রার্থী উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক মাফুজ রানা (এমবি) বলেন, দলীয় সিধান্ত মেনে চলবো। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অতন্ত্র প্রহরী হিসাবে দীর্ঘদিন মাঠে আছি। দেশরত্ব শেখ হাসিনার স্বপ্ন ‘প্রতিটি গ্রাম হবে শহর’ বাস্তবায়নে কাজ করতে চাই।

 

সাবেক ভিপি ও উপজেলা আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক বিএমএম জহিরুল আমিন বলেন, গ্রামকে শহরে পরিণত করে জনগণের প্রকৃত সেবক হতে বাংলাদেশের মমতাময়ী মা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার দোয়া ও সহযোগীতা কামনা করছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *