চারগুণের বেশি ভোটে মেয়র নির্বাচিত সালমা; ওসির গাড়ি ভাঙচুর করলেন ২ কাউন্সিলর প্রার্থী

মো. সানোয়ার হোসেন, মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি- বিশাল ভোটের ব্যবধানে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর পৌরসভার মেয়র পদে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত সালমা আক্তার বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি বিএনপির ধানের শীষ প্রতিকের চেয়ে চারগুণের বেশি ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন।

 

ফলাফলে দেখা যায়, আওয়ামী লীগের সালমা আক্তার নৌকা প্রতীকে ১২ হাজার ৪৫৭ ভোট। বিএনপির মো. শফিকুল ইসলাম ধানের শীষ পেয়েছেন ২ হাজার ৯১০ ভোট।

 

অপরদিকে ভোটে হেরে গিয়ে ওসিসহ ৪ পুলিশ সদস্য আহত করেছেন পরাজিত দুই কাউন্সিলর প্রার্থী ও তাদের কর্মী সমর্থকরা। এতে মির্জাপুর থানা অফিসার ইনচার্জ শেখ রিজাউল হক দিপুসহ পুলিশের চার সদস্য আহত হয়েছেন। শনিবার রাতে পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ড আম্মাতুননেছা ভোট কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটেছে।

 

থানার সেকেন্ড অফিসার মো. রুবেল হোসেন বলেন, ৪ নং ওয়ার্ড আম্মাতুন নেছা কেন্দ্রে ভোট গণনা শেষে হাফিজুর রহমান টেবিল ল্যাম্প প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হয়। দুই পরাজিত কাউন্সিলর প্রার্থী মিন্টু সওদাগর ও সাজু মিয়ার নেতৃত্বে তাদের কর্মী সমর্থক রাস্তায় ব্যারিকেড দিয়ে ওসি স্যারের গাড়িতে হামলা চালায়। হামলায় ওসির গাড়ি ভাংচুর করা হয় এবং আরও ৩ পুলিশ সদস্যকে আহত করে। এ ব্যাপারে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

 

এছাড়াও এ নির্বাচনে ০৯টি ওয়ার্ড থেকে সাধারণ ও মহিলা সংরক্ষিত আসনে মোট ৩৭ জন কাউন্সিলর প্রার্থী প্রতিদ্বন্দিতা করেছেন। এদের মধ্যে ০১ নং ওয়ার্ডে উটপাখি প্রতীকে বিজয়ী হয়েছেন আব্দুল জলিল খান, ২নং ওয়ার্ডে উটপাখি প্রতীকে বিজয়ী মো. সুমন হক, ০৩ নং ওয়ার্ডে পানির বোতল প্রতীকে বিজয়ী আলী আজম সিদ্দিকী, ০৪ নং ওয়ার্ডে টেবিল ল্যাম্প প্রতীকে বিজয়ী মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান, ০৫ নং ওয়ার্ডে টেবিল ল্যাম্প প্রতীকে বিজয়ী হাজী আব্দুর রউফ দুলাল, ০৬ নং ওয়ার্ডে পাঞ্জাবি প্রতীকে বিজয়ী আব্দুর রাজ্জাক মিয়া, ০৭ নং ওয়ার্ডে পাঞ্জাবি প্রতীকে বিজয়ী শামীম খান, ০৮ নং ওয়ার্ডে বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় বিজয়ী তাপস সাহা, ০৯ নং ওয়ার্ডে টেবিল ল্যাম্প প্রতীকে বিজয়ী মো. আনোয়ার হোসেন।

 

সংরক্ষিত ০৩টি মহিলা ওয়ার্ডে (১,২,৩) টেলিফোন প্রতীকে বিজয়ী আফসানা আক্তার, (৪,৫,৬) ওয়ার্ডে আনারস প্রতীকে বিজয়ী রওশন আরা, ও (৭,৮,৯) টেলিফোন প্রতীকে বিজয়ী চন্দনা দে। রোববার (৩১জানুয়ারি) সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা উম্মে তানিয়া।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *