নিজস্ব প্রতিবেদক: দারিদ্রতার কষাঘাতে জর্জরিত হয়ে মাতৃগর্ভেই নবজাতক কে বিক্রির ঘটনার সংবাদ নজরে আসার পর জামালপুর জেলা প্রশাসক আকস্মিক সফরে চলে আসেন দিন মুজুর আলী আকবরের বাড়িতে।
সেখানে তার পরিবার ও যমজ শিশুর খোজ খবর নেয়, বেশ কিছু সময় নিয়ে তাদের কথা শোনেন । এ দৃশ্য দেখার জন্য এলাকার লোকজন আকবরের বাড়িতে ভীর জমায়।
জামালপুর পৌরসভার ১২নং ওয়ার্ডের রামনগর গ্রামের আলী আকবর ও মর্জিনা বেগমের অভাবের সংসার। শিশু সন্তান নিয়ে কষ্টে দিন কাটায়, অভাবের তাড়নায় গর্ভের সন্তানকে প্রতিবেশির কাছে বিক্রি করে দেয়। এই ঘটনার সংবাদ পত্রিকার মাধ্যমে জেলা প্রশাসকের দৃষ্টি গোচর হয় এবং মর্জিনা বেগমের দম্পতির বাড়িতে গত ৭জানুযারী সকালে আকস্মিক উপস্থিত হয়।
পরে তাদের কুশলাদি জিজ্ঞাস করে এবং দির্ঘ সময় ধরে পরিবারে কথা শোনেন। পরে পরিবারটি ভালভাবে জীবন যাপন করতে পাবে তার জন্য জমিসহ বাড়ী ও পরিবারের উপার্জনের জন্য একটি মুদী দোকান দেয়ার আশ্বাস দেন।
আর ফুটফুটে যমজ শিশু দুটির জন্য খাদ্য সহায়তায় বেশ কিছু টাকা দেন। পাশাপাশি এই দুই নবজাতকে আর্শিবাদ করে আসেন। জেলা প্রশাসক গরীবের বাড়িতে আসার কথা জানতে পেরে মুহুর্তেই দিনমুজুর আলী আকবরের কুটিরের সামনে মানুষের উপচে পড়া ভীর জমে যায়।
জেলা প্রশাসকের হঠাৎ আগমনে পরিবারটি স্বস্থির নিশ্বাস ফেলেছে। সাধারন মানুষেরা মনে করছে এই বার হয়ত দুঃখী পরিবারটি সুন্দর ভাবে বেঁচে থাকতে পারবে। সমাজে মাথা উচু করে দাঁড়াতে পারবে। জেলা প্রশাসকের অজপাড়া গায়ে আগমনে গ্রামের মানুষ যেমন সন্তুষ্ট হয়েছে তেমনি ধ্যনবাদ দিতেও ভোলেনি।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল হক জানান , আমি তাদের কথা শুনে জানতে পারলাম এই পরিবারটির জায়গা ও ঘর নেই। প্রধানমন্ত্রীর দেয়া উপহার আশ্রয়ন উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে দেয়ার চিন্তাভাবনা করছি ,পাশাপাশি সবার সাথে কথা বলে পরিবারের দৈনিক আয়ের ব্যবস্থা করবো।
