নিজস্ব প্রতিবেদক, নজর২৪- মিথ্যা ও বানোয়াট মামলা দিয়ে এবং ধর্মীয় মাহফিলগুলোতে বাধা প্রদান করে খেলাফত প্রতিষ্ঠার সংগ্রামকে রুখে দেয়া সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক।
বৃহস্পতিবার (২৪ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ঢাকা মহানগরীর উদ্যোগে ঢাকা জেলা ক্রীড়া মিলনায়তনে আয়োজিত দলের ৩১ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী সম্মেলনে প্রধান আলোচকের বক্তব্যে তিনি কথা বলেন।
মামুনুল হক বলেন, স্বাধীনতার ৪৯ বছরে এদেশের মানুষ অনেক তন্ত্রমন্ত্রের শাসন দেখেছে। কিন্তু প্রকৃত স্বাধীনতা মানুষ পায়নি। তাই দেশের মানুষ আজ সকল কিছু বাদ দিয়ে খেলাফত প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখছে। কিন্তু একটি মহল খেলাফত প্রতিষ্ঠার এই সংগ্রামকে সহ্য করতে পারছে না। এ জন্যই দেশের আলেম-ওলামা ও ইসলামী শক্তির বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে দমিয়ে রাখার পায়তারা করছে। এমনকি বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি ধর্মীয় মাহফিলগুলোতেও বাধা দেয়া হচ্ছে।
সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর শাইখুল হাদীস আল্লামা ইসমাইল নুরপুরী বলেন, ৯২ ভাগ মুসলমানের দেশ বাংলাদেশ। দলমত নির্বিশেষে সকল মানুষ এদেশের আলেম-ওলামাদেরকে শ্রদ্ধা করে ও ভালোবাসে। ওলামাগণও দেশের যেকোন ক্রান্তিকালে নিজেদের জীবন বাজী রেখে জনগণের পাশে দাড়ায়। যার নজীর করোনাকালীন এই দুঃসময়ে দেশবাসী ও বিশ্ববাসী দেখেছে।
কিন্তু দেশের ভিতরে ঘাপটি মেরে বসে থাকা কিছু বিদেশী শক্তির ইন্ধনদাতারা আলেম-ওলামা ও ইসলামী শক্তির এই অগ্রযাত্রাকে রুখে দিতে নানারকম ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। তারই অংশ হিসেবে এদেশের সর্বজন শ্রদ্ধেয় হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের সাবেক আমীর আল্লামা শাহ আহমদ শফীর (রহ.) ইন্তেকালের ৩ মাস পর একটি মিথ্যা ও বানোয়াট হত্যা মামলা করেছে। যে মামলায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সংগ্রামী ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হকসহ ৩৬ জন আলেমকে আসামী করা হয়েছে।
তিনি বলেন, দেশের শান্ত পরিবেশকে অশান্ত করার মাধ্যমে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের জন্যই এই মিথ্যা মামলা। তাই সরকারকে অনতিবিলম্বে এই মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে। অন্যথায় দেশবাসীকে সাথে নিয়ে কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি দেয়া হবে।
দেশের বরেণ্য শিক্ষাবিদ, মাসিক আত্-তাওহীদ সম্পাদক, চট্রগ্রাম জামিয়া আরবিয়া জিরির মুহাদ্দিস অধ্যাপক ড. মাওলানা আ. ফ. ম খালিদ হোসেন
