নজর২৪, চট্রগ্রাম- হেফাজতে ইসলামের প্রতিষ্ঠাতা আমির মরহুম আল্লামা শাহ আহমদ শফীর ওপর কোনো নির্যাতন হয়নি, তার স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করেছেন সংগঠনের বর্তমান আমির আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী।
বুধবার (২৩ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় হাটহাজারীর দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম মাদ্রাসা মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি করেন।
আল্লামা শাহ আহমদ শফীর স্বাভাবিক মৃত্যু নিয়ে মিথ্যাচার, হাটহাজারী মাদ্রাসার ছাত্র-শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও হেফাজত নেতাদের জড়িয়ে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন হেফাজতের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক নুরুল আফছার আজাহারী।
এসময় উপস্থিত ছিলেন- হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির আল্লামা শাহ মহিবুল্লাহ্ বাবুনগরী, দারুল উলুম হাটহাজারী মাদ্রাসার শূরা কমিটির সদস্য মাওলানা নোমান ফয়েজী, মাওলামা ইয়াহিয়া, মাদ্রাসার সিনিয়র শিক্ষক মুফতি জসিম উদ্দিন, হেফাজতের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মীর ইদরিসসহ হেফাজত নেতারা।
আল্লামা শফীকে অস্বাভাবিক মৃত্যুর অভিযােগে দায়েরকৃত মামলাটি রাজনৈতিক চক্রান্ত উল্লেখ করে হেফাজত নেতৃৃবৃন্দ বলেন, এই মামলা মাদরাসার শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিনষ্ট করা এবং হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নেতৃবৃন্দকে হয়রানী করার হীন ষড়যন্ত্র বৈ কিছু নয়। এ কুচক্রী মহল নিজেদের কর্মফলের পরিণতিস্বরূপ জনগণ কর্তৃক প্রত্যাখ্যাত হয়ে ইসলামী নীতি ও আদর্শ থেকে বিচ্যুত হয়ে গেছে। এখন পায়ের তলায় মাটি না থাকায় তারা আল্লামা আহমদ শফীর মৃত্যু নিয়ে নতুন ফায়দা লুটার উদ্দেশ্যে চক্রান্তে নেমেছে।
মামলাটি চক্রান্তেরই অংশ। এর আগে তারা আল্লামা আহমদ শফীর লাশ নিয়েও নোংরা রাজনীতি করে ফায়দা হাসিলে ব্যর্থ হয়েছিল। আল্লামা আহমদ শফী রহ এর জীবদ্দশাতেও তাকে জিম্মি করে কায়েমী স্বার্থ হাসিল করতে দেখা গিয়েছিল। তারাই ওনাকে জিম্মি করে একের পর এক দুর্নীতি ও অনাচার চালিয়ে ওনার আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তাকে বিতর্কিত ও প্রশ্নবিদ্ধ করেছিলাে।’
মাদরাসার শিক্ষক মন্ডলী, ছাত্রজনতা, ওলামায়ে কেরাম এবং এলাকাবাসী এই মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপূর্ণ মামলা দ্বারা ফায়দা হাসিল করার সুযােগ তাদেরকে দেবে না, ইনশাআল্লাহ। আজকের এই সংবাদ সম্মেলন থেকে আমরা জোর দাবি জানাচ্ছি অনতিবিলম্বে দায়েরকৃত এ মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে। অন্যথায় দেশের শীর্ষ উলামায়ে কেরামদের সাথে পরামর্শ সাপেক্ষে কঠোর পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হবাে।
