নজর২৪ ডেস্ক: সবকিছুই ঠিকঠাক ছিল, আর কিছুক্ষণ পরেই আসবে বড়। বিয়ে বাড়ির আগত অতিথি ও আত্মীয় স্বজন সবাই পথ চেয়ে রয়েছে, তবে বরের আগেই বিয়ে বাড়িতে উপস্থিত নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট। হতবম্ব হয়ে অনেকেই পালিয়ে গেলো। ঘটনাটি ঘটেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে উপজেলায়, সহকারী কমিশনার (ভূমি)র হস্তক্ষেপে বাল্যবিয়ের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে নবম শ্রেণির এক স্কুলশিক্ষার্থী। বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার পাহাড়পুর ইউনিয়নের ভিটিদাউদপুর গ্রামে উপস্থিত হয়ে তিনি বাল্যবিয়ে বন্ধ করে দেন।
জানা যায়, বিজয়নগর উপজেলার ভিটিদাউদপুর গ্রামের বাসিন্দা ও উপজেলার মুকুন্দপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ওই ছাত্রীর সঙ্গে দুপুরে একই গ্রামের এক যুবকের বিয়ের দিন ঠিক ছিল। স্থানীয়দের মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পেরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুবুর রহমান দুপুর ১টার দিকে বর আসার আগেই ওই বিয়েবাড়িতে গিয়ে হাজির হন।
পরে তিনি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে মেয়ে প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেবেন না মর্মে ওই ছাত্রীর বাবা-মায়ের কাছ থেকে মুচলেকা আদায় করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক। এ সময় স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ, স্থানীয় মেম্বার নাসির মিয়াসহ বিজয়নগর থানার পুলিশ উপস্থিত ছিলেন।
এ ব্যাপারে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকারী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহাবুবুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বাল্যবিয়ের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
