১০০ এতিম শিশু খেল চায়নিজ খাবার

গোপালগঞ্জ- মুজিববর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে ১০০ এতিম শিশুকে চায়নিজ রেস্টুরেন্টে বসিয়ে উন্নত খাবার খাওয়াল স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন জ্ঞানের আলো পাঠাগার।

আজ শনিবার দুপুরে স্বাস্থ্যবিধি মেনে জ্ঞানের আলো পাঠাগার গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার চাং পাং চায়নিজ রেস্টুরেন্টে ব্যতিক্রমী এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

শিশুদের খাবার মেন্যুতে ছিল ফ্রাইড রাইস, ফ্রাইড চিকেন, চিকেন মাসালা, চায়নিজ সবজি, সালাদ ও কোমল পানীয়। খাবার শেষে প্রত্যেক শিশুকে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে একটি করে কম্বলও দেয়া হয়।

এর আগে জ্ঞানের আলো পাঠাগারের সভাপতি সুশান্ত মণ্ডলের সভাপতিত্বে মুজিববর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর গুরুত্ব এবং তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ভবেন্দ্রনাথ বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক আয়নাল হোসেন শেখ, হিরণ ইউনিয়ন পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান মাজাহারুল আলম পান্না, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম দাড়িয়া, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল আমিন খান, যুব ও ক্রীড়াবিষয়ক সম্পাদক সুমন হোসেন বাচ্চু, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক গাজী খসরু, যুবলীগ নেতা মিজানুর রহমান বক্তব্য রাখেন।

জ্ঞানের আলো পাঠাগারের সভাপতি সুশান্ত মণ্ডল বলেন, ‘মুজিববর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে আমরা ১০০ এতিম শিশুকে খাওয়ানোর জন্য আমাদের ফেসবুক পেজে পোস্ট দিই। এই পোস্টে সাড়া দিয়ে কিছু মানবিক মানুষ আমাদের অর্থ দিয়ে সহযোগিতা করেন। এই অর্থ দিয়েই আমরা এতিম শিশুদের চায়নিজ রেস্তোরাঁয় বসিয়ে উন্নত খাবার খাওয়ালাম।’

সুশান্ত জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শীতার্তদের মাঝে বিতরণের জন্য তাদের সংগঠনকে ৫০০ কম্বল দিয়েছেন। সেখান থেকে ১০০ কম্বল এতিম শিশুদের দেয়া হয়েছে।

কুরপালা মাদ্রাসা ও এতিমখানার শিক্ষার্থী জুবায়ের ইসলাম মাহাদী ও মো. শাওন বলে, ‘চায়নিজ রেস্টুরেন্টে বসে এ ধরনের খাবার আগে কখনও খাইনি। এই প্রথম এ ধরনের খাবার খেলাম। খাবার শেষে তারা একটি কম্বলও দিয়েছেন। এখানে এসে খুব ভালো লাগল।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *