নজর২৪, ঢাকা- আলোচিত ই- কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির চেয়ারম্যান শামিমা নাসরিন ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. রাসেলকে কারাগার থেকে মুক্ত করতে প্রয়োজনে আদালতের দ্বারস্থ হবেন প্রতিষ্ঠানটির গ্রাহক মার্চেন্টরা।
আজ শুক্রবার (২২ অক্টোবর) রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচিতে এ কথা জানান তাঁরা। এ সময় আদালতের নির্ধারণ করে দেওয়া কমিটির মাধ্যমে সময় বেঁধে দিয়ে ইভ্যালিকে কাজ পরিচালনা করার দাবিও ওঠে এই মানববন্ধনে।
ইভ্যালির গ্রাহক ও মার্চেন্টের সমন্বয়ক মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন বলেন, আমরা হাজার হাজার গ্রাহক মার্চেন্ট হতাশায় ভুগছি। আমাদের চেয়ারম্যান-এমডি কে আটকে রাখলে তো লাভ নেই। তাঁদের মুক্তি দিতে হবে। আমরা আশঙ্কা করছি যারা পণ্যগুলো ডেলিভারির জন্য অপেক্ষা করছেন এবং মার্চেন্টের টাকা বকেয়া তাঁরা এগুলো আর পাবেন না। রাসেল সাহেব অভিজ্ঞ মানুষ, তিনি ভালো-মন্দ বুঝবেন। তাঁকে ছাড়া ইভ্যালি কোনভাবে কল্পনা করা যায় না।
নাসির উদ্দিন আরও বলেন, যে ৭টি মামলা হয়েছে সেটা দিয়ে পুরো ইভ্যালি কে পর্যবেক্ষণ করা যায় না। কারণ এখানে লক্ষ লক্ষ গ্রাহক আছেন। সবাই তো মামলা করতে আসেনি। আমরা দেখেছি আদালত একটা কমিটি গঠন করে সময় বেঁধে দিয়েছেন। কিন্তু এই কমিটিতে স্টার্টআপ বিজনেস করে এমন কেউ নেই। ইভ্যালির শামিমা নাসরিন এবং রাসেল যদি কমিটিতে না থাকে তাহলে আমাদের যে আশঙ্কা সেটাই থেকে যাবে। আমরা লাখ লাখ ভোক্তা, মার্চেন্ট ক্ষতিগ্রস্ত হব।
নাসির জানান, ইভ্যালির রাসেল ও শামীমা নাসরিন কে মুক্ত করার জন্য এরই মধ্যে ইভ্যালি থেকে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে গ্রাহক মার্চেন্টরাও আদালতের দ্বারস্থ হবেন।
নাসির উদ্দিন বলেন, আদালতের প্রতি আমাদের যথেষ্ট শ্রদ্ধাবোধ রয়েছে। তবে আমাদের টাকাগুলো বাঁদরের রুটি ভাগের মতো হোক, সেটা আমরা চাই না। আমরা ভোক্তা-মার্চেন্ট সবাই তাকে সময় দিয়েছি। তাহলে সরকারের অসুবিধা কোথায়। আমরা এটার বিরুদ্ধে আদালতের শরণাপন্ন হব। ইভ্যালিকে অদৃশ্য কালো থাবার মধ্যে বন্ধ করে দেওয়ার একটা চেষ্টা চলছে। আমাদের দেশে যে পরিমাণ ই-কমার্স প্রদর্শন বেড়েছে, সেই হিসেবে ই-ক্যাবের ভূমিকা খুবই দুর্বল। রাষ্ট্রের স্বার্থে ই-ক্যাবকে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
মানববন্ধনে ইভ্যালির দুই শতাধিক মার্চেন্ট ও ভোক্তা উপস্থিত ছিলেন।
