নিজস্ব প্রতিবেদক: আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ঝালকাঠি সদর উপজেলার নথুল্লাবাদ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে দলীয় মনোনয়ন পেতে আওয়ামী লীগের ত্যাগী নেতা একেএম সামসুল আলম বাবু তালুকদার আগে ভাগেই মাঠে নেমেছেন।
তিনি এবার দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশায় জনসর্মথন আদায় এবং সাংগঠনিকভাবে নিজেকে উপস্থাপনে তার নির্বাচনী ভাবনার প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। ইতিমধ্যে বেশ সাড়াও ফেলেছেন, চলছে তার কম বেশি নির্বাচনী প্রস্ততিমূলক প্রচারণা।
উল্লেখ্য ইতিপূর্বে তিনি ইউপি নির্বাচনে প্রার্থী ঘোষণা করে ব্যাপক সমর্থন পেলেও রাজনীতির সমীকরণে দলীয় মনোনয়ন বঞ্চিত হন। অবশ্য সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত সর্বোপরি জেলা আ:লীগের কান্ডারী কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা পরিষদের অন্যতম নেতা আলহাজ্ব আমির হোসেন আমু এমপি’র নির্দেশ মেনে তিনি নির্বাচনে অংশ নেননি বলে জানান। এবারের নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পাওয়া নিয়ে তিনি শতভাগ আশাবাদী।
তিনি বলেন আমার নেতা ও অভিভাবক আলহাজ্ব আমির হোসেন আমুর নির্দেশনা অক্ষরে অক্ষরে মেনে রাজনীতি করি। সেক্ষেত্রে এবারে প্রার্থিতা চূড়ান্তে নেতা ইতিবাচক ভূমিকা রাখলে তিনি নৌকার মাঝি হতে পারেন। এমনটি প্রত্যাশা করে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে নথুল্লাবাদ ইউনিয়নকে আধুনিক ইউনিয়ন গড়ার স্বপ্ন দেখছেন বলে জানান। তার দাবি, সুখ-দুঃখে সব সময় এলাকাবাসীর পাশে আছি এবং থাকবো।
বাবু তালুকদারের রাজনীতির বাইরেও আলাদা একটি পরিচিতি রয়েছে। যেমন দলের জন্য ত্যাগী তদরুপ অন্যায়ের প্রতিবাদী হিসেবে পরিচিত। ত্যাগের উদাহরণ সৃষ্টি করা এই তরুণ নেতা কিভাবে এলাকার উন্নয়ন সাধন করা যায় সেই লক্ষ্য নিয়ে দীর্ঘদিন যাবত কাজ করে যাচ্ছেন।
ঝালকাঠি জেলার সকলের পরিচিত মুখ, ঝালকাঠি সাংসদ আলহাজ্ব আমির হোসেন আমু এমপি’র আস্থাভজন এ নেতা নিজ এলাকা নথুল্লাবাদ ইউনিয়নকে উন্নয়নে নিজেকে উৎসর্গ করতে চান।
পরিবর্তনের নতুন ধারা সৃষ্টিতে নয়া আঙ্গিকে ১০নং নথুল্লাবাদ ইউনিয়ন পরিষদকে একটি মডেল আধুনিক ইউনিয়নে রূপান্তরের লক্ষে তিনি বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন। তিনি আশাবাদী এবারের নির্বাচনে দল তাকে মনোনয়ন দিলে সেই প্রত্যাশা পূরণ সহায়ক হবে।
সদা হাস্যোজ্জল এই উদীয়মান তরুণ নেতা বাবু তালুকদার কে এলাকাবাসীও চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় বলে তিনি জানান। জনপ্রিয়তা ও জনসমর্থন সব ক্ষেত্রেই সম্ভব্য সকল প্রার্থীর চেয়ে বাবু তালুকদারকেই শক্তিশালী প্রার্থী হিসাবে ভাবছেন সুশীল সমাজ। তার বড় শক্তি সাংগঠনিক কারিশমা ও পারিবারিকভাবে আ:লীগ ঘরনার সন্তান। যা থেকে জনসমর্থন আদায়ে সহায়ক হওয়ায় এবার আ’লীগের যুক্তসই প্রার্থী হিসেবে তাকে ভাবা হচ্ছে। তিনিও এগিয়ে যাচ্ছেন লক্ষ অর্জনে।
এ কে এম সামসুল আলম বাবু তালুকদার বলেন, তার নেতা ও রাজনৈতিক অভিভাবক আমির হোসেন আমু এমপি। সুতরাং তার নির্দেশনার বাইরে তিনি কিছুই করতে নারাজ। তার আর্শিবাদ নিয়েই নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন, এমনটি দাবি করে বাবু তালুকদার বলেন- বিগত সময়ে মনোনয়ন চেয়ে দলীয় মনোনয়ন বঞ্চিত হলেও তিনি দল এবং আদর্শচ্যুত হননি। ফলে তার প্রার্থিতার যৌক্তিকত আছে, এখন মূল্যায়নের পালা। সেই অপেক্ষায় ধৈর্য্য ধারন করে এবার মাঠে নেমেছেন অন্তত ত্যাগের মূল্যায়নে নৌকার মাঝি হতে।
