তৌফিকুর রহমান, ভূঞাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলে ভূঞাপুরে গোপনে চাল বিক্রির অভিযোগ উঠেছে ইউপি সচিবের বিরুদ্ধে। বৃহষ্পতিবার বেলা ১১ টায় উপজেলার অলোয়া ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, অলোয়া ইউপি সচিব শেখ ফরিদ সকাল বেলা ইউনিয়ন পরিষদ ভবনে আসে এবং সুশীল নামের চৌকিদারের সাহায্যে ২০ বস্তা চাল আজাদের (স্থানীয় দোকানদার) কাছে বিক্রি করে। অবশেষে জনগনের তোপের মূখে পালিয়ে যায় ইউপি সচিব।
সরজমিনে গিয়ে জানা যায়, গরিবের জন্য বরাদ্দকৃত ৩০ কেজি ওজনের ২০ বস্তা চাল গোপনে বিক্রি করেন ইউপি সচিব শেখ ফরিদ। স্থানীয় দোকানদার আজাদ মিয়া সেই চাল ক্রয় করে এবং মোড়ক পরিবর্তন করে তা অন্য এক দোকানে গুদামজাত করে। এক পর্যায়ে স্থানীয় জনগণ সাংবাদিক এবং প্রশাসন কে খবর দিলে জনগণের তোপের মুখে পালিয়ে যায় সেই ইউপি সদস্য শেখ ফরিদ এবং ক্রেতা আজাদ।
এ বিষয়ে ৫ নং অলোয়া ইউনিয়ন পরষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম বলেন, আমি চাল বিতরণ শেষে অবিতরন কৃত চাল সচিবের দ্বায়িত্বে রেখে চলে যাই। আজ সকালে সংবাদ কর্মীদের ফোন পেয়ে পরিষদে আসি এবং ইউএনও স্যারের সাথে গুদামের তালা ভেঙ্গে দেখি চাল নেই।
ঘটনা স্থলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বেলাল হোসেন পৌছানোর পর তিনি সচিব শেখ ফরিদ কে খুজে না পেয়ে গুদামের তালা ভেঙ্গে সেখানে কোন চাল পাননি। স্থানীয় বাজারের মো. বারেক হোসেনের ছেলে আজাদ মিয়ার দোকান থেকে ১০ বস্তা চাল উদ্ধার করেন।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বেলাল হোসেন বলেন, এ ব্যাপারে তিন সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং সচিবের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা গ্রহনের জন্য জেলা প্রশাসক বরাবর চিঠি প্রেরণ করা হয়েছে।
এসএইচ
