জবি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেছেন, আমরা কোনো পেশিশক্তির ভরসা করে রাজনীতি করি না। কোনো বন্দুকের নলের ওপর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্বাস করেন না।
প্রধানমন্ত্রী বিশ্বাস করেন এদেশের জনগণের ওপর। এ দেশের মানুষ বিশ্বাস করে বার বার দরকার, শেখ হাসিনার সরকার।
রোববার (২৯ মে) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
স্মৃতিচারণ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেন, জগন্নাথ কলেজের ছাত্র ছিলাম, এখন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় হয়েছে। আমার ছাত্র রাজনীতি শুরু হয়েছে এই জগন্নাথ থেকে। আমরা না গেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো আন্দোলন হতো না। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ নেতৃত্ব দেবে, আমাদের স্বপ্নের বাংলাদেশ বির্নিমাণের জন্য কাজ করবে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেন, ‘১৯৮১ সালের ১৭ মে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরেছেন বলেই, আজ সম্ভাবনাময় দেশে পরিণত হয়েছে বাংলাদেশ।’
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আরও বলেন, ‘১৭ মে ঝড় বৃষ্টিতে আকাশ ছিল প্রকম্পিত। যেন তাঁকে দেখার জন্যই আকাশ কেঁদেছিল। সেদিন শেখের বেটি এসেছেন, এরপর আমাদের আর ভয় নেই।’
‘যতদিন এ সরকার ক্ষমতায় থাকবে, ততদিন দেশের অগ্রগতি অব্যাহত থাকবে’ উল্লেখ করে আসাদুজ্জামান খান বলেন, ‘করোনাকালীন সময়ে সরকার কৃষির ওপর নজর রেখেছিল। যেখানে সারা বিশ্বে খাদ্য উৎপাদনে সমস্যা দেখা দিয়েছিল, সেখানে আমাদের দেশে ব্যাঘাত ঘটেনি।’
আলোচনা সভার প্রধান আলোচক ছিলেন কাজী মো. নাজিবুল্লাহ হিরু। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদ।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি মো. ইব্রাহিম ফরাজীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আকতার হোসাইনের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম বাবু, সাবেক সভাপতি দেবাশীষ বিশ্বাস, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম ফারুক স্বপন, সাবেক সভাপতি কামরুল হাসান রিপন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক গাজী আবু সাইদ, শাখা ছাত্রলীগের সাবেক আহ্বায়ক হেদায়েতুল ইসলাম স্বপন প্রমুখ।
এ ছাড়া ছাত্রলীগের বর্তমান সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
