ভূঞাপুরে তরমুজ সিন্ডিকেট বেপরোয়া, প্রশাসন নীরব

তৌফিকুর রহমান, ভূঞাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি: তরমুজ সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান ও জরিমানা করা হলেও একেবারে ভিন্ন চিত্র টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে। প্রশাসনের নীরবতায় এখানকার তরমুজ সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। ক্রেতাদের জিম্মি করে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে কেজি দরে তরমুজ বিক্রি চলছে।

একাধিক সূত্র বলছে, এই সিন্ডিকেট কৃষক থেকে পিস হিসাবে তরমুজ ক্রয় করছে। কিন্তু পাইকারী ও খুচরা বিক্রয় করছে কেজি দরে। ব্যবসায়ীদের বাড়তি মুনাফা লাভের আশায় কেজি হিসাবে বিক্রির কারণে তরমুজ সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। প্রতি পিস তরমুজ ক্রয় মূল্যের দ্বিগুনের বেশী লাভ করছেন তরমুজ ব্যবসায়ীরা। প্রশাসনের নাকের ডগায় বসে এমন কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে অসাধু ব্যবসায়ীরা।

ভূঞাপরের বাজারগুলোতে ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি কেজি তরমুজ ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। একটি তরমুজ মোটামুটি ৫ কেজি থেকে ১২ কেজি পর্যন্ত হয়ে থাকে। ৫০ টাকা কেজি ধরলেও সবচেয়ে ছোট সাইজের একটি তরমুজের দাম হয় ২’শ থেকে আড়াইশ টাকা আর ১২ কেজি ওজনের তরমুজের দাম হয় ৬০০ থেকে ৭’শ টাকা।

তরমুজ ক্রেতা আতিকুর রহমান বলেন, আমি ভূঞাপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে ৪০ টাকা কেজি দরে ৫ কেজি একটি তরমুজ কিনি ২০০ টাকা দিয়ে। বাড়িতে নিয়ে ইফতার করার সময় তরমুজ কাটার পর দেখি সাদা, কোন স্বাদ নেই, সেটা খাওয়ার মতো না। তরমুজ বিক্রেতারা বেশি লাভের আশায় তরমুজ ফলন হওয়ার আগেই তারা বাজারে বিক্রি করছে। তিনি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এদিকে এ অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত সিন্ডিকেট চক্র জানান, সিন্ডিকেট নয়, একসঙ্গে মিলেমিশে ব্যবসা করেন তারা। ব্যবসায়ীরা বলেন, যেভাবে কেজি দরে কিনছি সেভাবেই বিক্রি করছি আমরা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ভূঞাপুর সহকারী কমিশনার (ভূমি) শেখ আলাউল ইসলাম বলেন, অতিদ্রুত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *