মোঃ দেলোয়ার হোসেন, কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি: গাজীপুরের কালিয়াকৈরে যৌতুকের দাবিতে স্বামীর নির্যাতনে নার্গিস আক্তার নামে এক শিক্ষিকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
নির্যাতিতা নার্গিস আক্তার উপজেলার নামাসুলাই সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসাবে কর্মরত আছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আড়াই বছর আগে উপজেলার লতিফপুর গ্রামের ছানোয়ার হোসেনের পুত্র মোঃ পারভেজ রানার সাথে একই উপজেলার পাইকপাড়া গ্রামের মোঃ বিল্লাল হোসেনের মেয়ে নার্গিস আক্তারের পারিবারিকভাবে বিবাহ হয়। তাদের ঔরসজাত ১ বছর বয়সি একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।
বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই স্বামী পারভেজ রানা স্ত্রী নার্গিস আক্তারের কাছে ২ লাখ টাকা যৌতুক দাবী করে আসছে। যৌতুক না দেয়ায় নার্গিসের স্বামী ও তার পরিবারের লোকজন মিলে বিভিন্ন সময় তাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করতো।
এ ঘটনার এক পর্যায়ে শনিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে স্কুলে যাওয়ার সময় স্বামী পারভেজ রানা তার স্ত্রী নার্গিসের কাছে দাবীকৃত ২ লাখ টাকা যৌতুকের জন্য চাপ দেয়। এসময় নার্গিস তার পিতার বাড়ি থেকে যৌতুক এনে দিতে অস্বীকার করলে ঘরের দড়জা বন্ধ করে স্বামী পারভেজ রানা, শ্বশুর-শাশুড়ি ও ননদ মিলে তাকে এলোপাতাড়ি নির্যাতন করে ঘরে বন্ধি করে রাখে।
পরে খবর পেয়ে আশপাশের স্কুলের শিক্ষকরা ঘটনাস্থল থেকে তাকে উদ্ধার করে কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
কালিয়াকৈর থানার ডিওিটি অফিসার মোহাম্মদ আলাউদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় নির্যাতিতা শিক্ষিকা নার্গিস আক্তার বাদী হয়ে কালিয়াকৈর থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
