স্পোর্টস আপডেট ডেস্ক- ভুলে যাওয়ার মতো একটি রাত কাটালেন লিওনেল মেসি। শেষ মুহূর্তে কিলিয়ান এমবাপে গোল করে দলকে না জেতালে পুরো দোষটা পড়তো আর্জেন্টাইন খুদেরাজের কাঁধেই।
সেই হতাশায় ডুবতে হয়নি তাকে। তবে অস্বস্তির রাতে অস্বস্তিকর এক রেকর্ডে নাম ঠিকই লিখিয়ে ফেলেছেন সাতবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী তারকা।
মঙ্গলবার রাতে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ষোলোর প্রথম লেগে রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে পেনাল্টি মিস করেন মেসি। যাতে করে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি পেনাল্টি মিস করার রেকর্ডে যৌথভাবে তিনি বসেছেন আর্সেনালের সাবেক তারকা থিয়েরি ওঁরির সঙ্গে।
মঙ্গলবারেরটিসহ মেসি এই প্রতিযোগিতায় ২৩টি পেনাল্টির মধ্যে ৫টি মিস করেছেন। হেনরিও তার সমান পেনাল্টি মিস করে এতদিন ছিলেন এককভাবে শীর্ষে। অন্যদিকে ২৩টি পেনাল্টি শট নিয়ে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে ছাড়িয়ে গেছেন মেসি।
ম্যাচশেষে মেসির পেনাল্টি শট ঠেকানো নিয়ে রিয়াল মাদ্রিদ গোলরক্ষ কর্তোয়া বলেছেন, ‘এই ধরনের ম্যাচে গোলরক্ষক হিসেবে আপনাকে জানতে হবে কিছু করা লাগতে পারে। আমি মেসির পেনাল্টি নিয়ে অনেক গবেষণা করেছি আর চেষ্টা করেছি তার সঙ্গে খেলতে যখন আমি লাইনে ছিলাম। কিছুটা ভাগ্যেরও দরকার আছে অবশ্য।’
এদিন রিয়াল বিরতির আগ পর্যন্ত তেমন আক্রমণই করতে পারেনি। ফলে অপরপ্রান্তে গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি ডনারুমাকে কাটাতে হয়েছে অলস সময়ই। বিরতির পর পিএসজি আক্রমণের ধার বেড়ে যায়। ৪৫ থেকে ৫২ মিনিটে দুটো সেভ দিয়ে দলকে রক্ষা করেছেন কোর্তোয়া।
৬০ মিনিটে পেনাল্টি পায় পিএসজি। তবে মেসির নেওয়া পেনাল্টি ঠেকিয়ে দেন কোর্তোয়া।
এর কিছু পরে নেইমারকে মাঠে আনেন কোচ মরিসিও পচেত্তিনো। তাতে পিএসজির আক্রমণে ধার বাড়ে আরও। শেষ মুহূর্তে তার ঝলকেই পিএসজি পায় গোল। তার ব্যাকহিল বক্সের ভেতর খুঁজে পায় এমবাপেকে, ফরাসি তারকা এরপর দুটো চ্যালেঞ্জ এড়িয়ে এগিয়ে যান বাইলাইনের কাছে। সেখান থেকে নিচু এক শটেই পরাস্ত করেন রিয়াল গোলরক্ষককে। পুরো ম্যাচে ছড়ি ঘোরানো পিএসজি শেষ মুহূর্তের গোলে পায় দারুণ এক জয়।
এর ফলে দ্বিতীয় লেগে দলটি যাবে ১-০ গোলে এগিয়ে। সান্তিয়াগো বের্নাবিউতে দ্বিতীয় লেগের লড়াইয়ে দুই দল মুখোমুখি হবে আগামী ১০ মার্চ।
