নজর২৪, চুয়াডাঙ্গা: চুয়াডাঙ্গার আবাসিক হোটেলে থেকে স্নাতক পড়ুয়া এক ছাত্রীসহ আটক বিজিবি সদস্যকে ধর্ষণ চেষ্টা মামলায় জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। বুধবার (২১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় আদালতের মাধ্যমে তাকে হাজতে পাঠানো হয়।
ওই তরুণী নড়াইল জেলার জনৈক ব্যক্তির মেয়ে এবং বিজিবি সদস্য সোহেল রানা সিরাজগঞ্জ জেলার বেলকুচি থানার বদিউজ্জামানের ছেলে।
দর্শনা থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই জাকির হােসেন জানান, ২০ অক্টােবর বিকালে দর্শনা বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন হিমেল আবাসিক হােটলে থেকে নড়াইল জেলার স্নাতক শেষ বর্ষের এক ছাত্রীসহ কুষ্টিয়া মিরপুর ৪৭ বিজিবির ল্যান্স নায়েক সােহেল রানাকে পুলিশ আটক করে থানায় নিয়ে আসে। পরে বিজিবি সদস্য সােহেল রানার সাথে এক রুম থেকে আটক ওই ছাত্রী সোহেল রানার বিরুদ্ধে দর্শনা থানায় ধর্ষণ চেষ্টা মামলা দায়ের করেন।
মামলার বিবরণে ও ওই ছাত্রীর সাথে কথা বলে জানা যায়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ কিছুদিন আগে বিজিবি সদস্য সোহেল রানার সাথে পরিচয় হয়। এক পর্যায়ে সোহেল রানা নিজেকে অবিবাহিত পরিচয় দিয়ে আমার সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে এবং আমাকে বিয়ের প্রলাোভন দেখিয়ে বিজিবি সদস্য সােহলে রানা এর আগেও বিভিন্ন জায়গায় হোটেল ভাড়া নিয়ে আমার সাথে শারীরিক সম্পর্ক করে।
সেদিনও (২০ অক্টোবর) সে আমাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে দর্শনায় ডেকে নিয়ে স্ত্রী পরিচয়ে হিমেল আবাসিক হোটেলে নিয়ে উঠে। হোটেলে উঠার কিছুক্ষণের মধ্যে পুলিশ আমাদেরকে অনৈতিক কর্মকান্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। এসময় আমি সোহেল রানাকে আমাদের বিয়েটা সম্পন্ন করার জন্য বললে সে আমাকে না চেনার ভান করে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানায়।
দর্শনা থানার অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) মােঃ মাহবুবুর রহমান কাজল জানান, অভিযুক্ত বিজিবি সদস্যকে বুধবার সন্ধ্যার পর আদালতের মাধ্যমে হাজতে পাঠানো হয়েছে। মেয়েটিকে তার পরিবাররে কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।
কুষ্টিয়া মিরপুর ৪৭ বিজিবি ব্যটালিয়ন অফিসে এ বিষয়ে কথা বলা হলে তারা জানান, সােহলে রানার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
