নজর২৪ ডেস্ক- কক্সবাজারে স্বামী-সন্তানকে জিম্মি করে নারী পর্যটককে সংঘবদ্ধ ধ র্ষ ণের ঘটনায় সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে তিনজনকে শনাক্ত করেছে র্যাব। এছাড়া রিয়াজ উদ্দিন ছোটন (৩৩) নামে এক হোটেল ম্যানেজারকে আটক করা হয়েছে।
র্যাব-১৫ কক্সবাজারের সিপিসি কমান্ডার মেজর মেহেদী হাসান বলেন, সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে ও খোঁজখবর নিয়ে পর্যটক নারীকে ধ র্ষ ণের ঘটনায় তিনজনকে শনাক্ত করা হয়েছে।
শনাক্তরা হলেন- কক্সবাজার শহরের মধ্যম বাহারছড়া এলাকার মৃত আব্দুল করিমের ছেলে আশিকুল ইসলাম আশিক (২৩) ও মোহাম্মদ শফিকের ছেলে ইসরাফিল হুদা জয় এবং আবুল কাসেমের ছেলে মেহেদী হাসান বাবু।
এদিকে এ ঘটনায় চারজনের নামসহ অজ্ঞাতপরিচয় তিনজনকে আসামি করে বৃহস্পতিবার রাতে মামলা করেছেন ভুক্তভোগী নারীর স্বামী। এজাহারে যাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে তারা হলেন আশিক, জয়, বাবু ও ছোটন। তাদের মধ্যে ছোটন জিয়া গেস্ট ইন হোটেলের ম্যানেজার। তাকে ঘটনার পর আটক করেছে র্যাব।
এর আগে বুধবার রাতে শহরের লাবণী পয়েন্ট থেকে ওই নারী পর্যটককে তুলে নিয়ে ধ র্ষ ণ করা হয়। খবর পেয়ে শহরের লাইট হাউজ এলাকার জিয়া গেস্ট ইন নামের একটি হোটেল থেকে রাত দেড়টার দিকে তাকে উদ্ধার করে র্যাব-১৫।
ধ র্ষ ণের শিকার ওই নারী বুধবার সকালে ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে স্বামী-সন্তানসহ কক্সবাজারে বেড়াতে আসেন। ওঠেন শহরের হলিডে মোড়ের একটি হোটেলে। বিকালে সৈকতের লাবণী পয়েন্টে ঘুরতে গিয়ে অপরিচিত এক যুবকের সঙ্গে তার স্বামীর ধাক্কা লাগলে কথা-কাটাকাটি হয়।
সন্ধ্যায় পর্যটন গলফ মাঠের সামনে থেকে তার আট মাসের সন্তান ও স্বামীকে সিএনজি অটোরিকশায় করে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। আরেকটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তিন যুবক তাকে তুলে নিয়ে যায় পর্যটন গলফ মাঠের পেছনে একটি ঝুপড়ি চায়ের দোকানের পেছনে। সেখানে তারা পালাক্রমে তাকে ধ র্ষ ণ করেন। এরপর তাকে নেয়া হয় জিয়া গেস্ট ইন নামের একটি হোটেলে। সেখানে ই য়া বা সে বনের পর আরেক দফা তাকে ধ র্ষ ণ করে ওই তিন যুবক। ঘটনা কাউকে জানালে সন্তান ও স্বামীকে হ’ত্যা করা হবে জানিয়ে রুম বাইরে থেকে বন্ধ করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে তারা।
পরে জিয়া গেস্ট ইনের তৃতীয় তলার জানালা দিয়ে এক যুবকের সহায়তায় কক্ষের দরজা খোলেন ওই নারী। তারপর ফোন দেন ৯৯৯-এ। পুলিশ তাকে থানায় সাধারণ ডায়েরি করার পরামর্শ দেয়। পরে র্যাব ওই নারীকে উদ্ধার করে পর্যটন গলফ মাঠ এলাকা থেকে স্বামী ও সন্তানকে উদ্ধার করে।
