রাজিব আহমেদ রাসেল, স্টাফ রিপোর্টার: বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য নুর হোসেন সেকতের বহিস্কার দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মো: সাইফুল ইসলাম নামের ইউপি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধীতা কারী একজন প্রার্থী।
জানা যায়, আসন্ন ২৬ ডিসেম্বর সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের ১০নং কৈজুরী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আঃলীগ মনোনয়ন পেয়ে নৌকা প্রতিক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন কৈজুরী ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম।
বুধবার (২২ ডিসেম্বর) বেলা ১২টায় কৈজুরী ইউনিয়ন পরিষদে তার নিজ কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নৌকার প্রার্থী সাইফুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, কৈজুরী ইউনিয়নের বাসিন্দা কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদস্য নুর হোসেন সৈকত দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে নৌকার বিপক্ষে অবস্থান নেওয়ায় তাকে দলীয়ভাবে বহিষ্কারের দাবী জানান।
এসময় নৌকা প্রতীকের প্রার্থী সাইফুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, কৈজুরী ইউনিয়নের জগতলা গ্রামের বাসিন্দা যুবলীগের কেন্দ্রীয় নেতা নুর হোসেন সৈকত দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে বিদ্রোহী প্রার্থী খোকন মাষ্টারের পক্ষ অবলম্বন করে ঘোড়া মার্কার নির্বাচন করছেন। সৈকত বর্তমান সংসদ সদস্য প্রফেসসর মেরিনা জাহান কবিতার ডিও লেটার জাল করে মনোনয়ন চেয়েছিলেন। তিনি নির্বাচন আসলেই বসন্তের কোকিলের মত এলাকায় আসেন।
মনোনয়ন চেয়ে দলের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করেন। এবছরও সৈকত মনোনয়ন বঞ্চিত হলে আমি সৈকত হোসেনকে নৌকার পক্ষে কাজ করার জন্য সাবেক এম,পি চয়ন ইসলামের মারফত প্রস্তাব দিলেও সে তা প্রত্যাখ্যান করেছেন। তার নিজ জগতলা গ্রামে খোদ দলীয় লোকজনকে নৌকায় ভোট দিতে নিষেধ করার পাশাপাশি ঘোড়া মার্কাকে জিতাতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন।
নৌকার কর্মীদের সৈকত হোসেনের লোকজন ভয়ভীতি প্রদর্শণ করছেন। আমি জনগনের ভোটে ইতিপূর্বে একবার নৌকা প্রতীকে একবার স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দুইবার বিপুল ভোটে চেয়ারম্যান নির্বিাচিত হয়েছিলাম। আমার জনপ্রিয়তায় ঈশ্বার্ণিত হয়ে নুর হোসেন সৈকত আমার বিরোধীতা করতে গিয়ে সে প্রত্যক্ষ ওপরোক্ষভাবে নৌকার বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে দলীয়শৃঙ্খলা ভঙ্গ করছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থীকে ইন্ধন দিয়ে আমার কর্মী সমর্থকদের ভয়ভীতি প্রদর্শণ করছেন। তাই বিষয়টি দলীয় উর্ধ্বতন নেতৃবৃন্দের দৃষ্টি আকর্ষণ করে যুবলীগের কেন্দ্রীয় সদস্যপদ থেকে নূর হোসেনের বহিষ্কার দাবী করেন সাইফুল ইসলাম।
সংবাদ সম্মেলনে শাহজাদপুরের বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিক ছাড়াও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক পেশকার আলীসহ দলীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এই বিষয়ে নুর হোসেন সৈকতের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, সাইফুল ইসলাম ভুয়া র্যাবের মাধ্যমে এলাকার জনসাধরণকে নির্বাচন নিয়ে আতঙ্কিত করে ফেলেছে। তার অভিযোগগুলো সম্পুর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন, আমি প্রায় ২০ দিন পূর্বে ঢাকায় এসে কেন্দ্রীয় কর্মসুচীতে অংশগ্রহন করছি।
সাইফুল ইসলাম যদি আমার সাথে যোগাযোগ করতো তাহলে আমি নৌকা প্রতিকের বিজয়ের লক্ষ্যে হাতে হাত রেখে কাজ করতাম। বরং সে এবং তার বিএনপি পন্থী পরিবারের সদস্যদের মাধ্যমে আমাকে সহ আমার পরিবারকে নোংরা ভাষায় আক্রমাণ করেছেণ।
