নতুন সদস্য আসছে নাসির-তামিমার সংসারে

নজর২৪ ডেস্ক- বাবা হতে চলেছেন ক্রিকেটার নাসির হোসেন। তার স্ত্রী তামিমা সুলতানা তাম্মী ৬ মাসের প্রেগন্যান্ট। সোমবার ঢাকার মেট্রোপলিটন আদালতে উপস্থিত হয়ে এই তথ্য নিজেই জানিয়েছেন তামিমা।

 

এছাড়া সাংবাদিকদের এই তথ্যের ব্যাপারে নিশ্চিত করেছেন মামলার বাদী ও তামিমার সাবেক স্বামী মো. রাকিব হাসানের আইনজীবী ইশরাত হাসান।

 

তিনি বলেন, তামিমা সুলতানা দাবি করছেন যে উনি ৬ মাসের প্রেগন্যান্ট। সেটা যেহেতু ফিরিস্তি করে দেয়নি এবং আমাদের আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো কপি সার্ভ করেনি তাই এই বিষয়টি নিয়ে আমরা আর কোনো মন্তব্য করছি না।’

 

এদিন ‘অন্যের স্ত্রীকে প্রলুব্ধ করে নিয়ে যাওয়া’, ‘ব্যভিচার’ ও ‘মানহানি’র অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় পূর্ব শর্তে জামিন পেয়েছেন ক্রিকেটার নাসির হোসেন ও তার স্ত্রী তামিমা সুলতানা তাম্মীসহ তিনজন। আরেক আসামি হলেন-তামিমার মা সুমি আক্তার। সোমবার তাদের জামিন মঞ্জুর করেন আদালত।

 

এর আগে ৩১ অক্টোবর ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জসিমের আদালতে তারা আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক ১০ হাজার টাকা মুচলেকায় তাদের জামিন মঞ্জুর করেন। এর পর মামলা বিচারের জন্য প্রস্তুত হওয়ায় তা বদলির আদেশ দেন। এরও আগে ৩০ সেপ্টেম্বর ক্রিকেটার নাসির হোসেন, তার স্ত্রী তামিমা সুলতানা ও তামিমার মা সুমি আক্তারকে ৩১ অক্টোবর আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়ে সমন জারি করা হয়।

 

এদিন নাসির ও তামিমার বিয়ে অবৈধ বলে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। নাসির, তামিমাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে প্রতিবেদন দাখিল করেন মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা মিজানুর রহমান। এরপর মামলার বাদী ও তামিমার প্রথম স্বামী ব্যবসায়ী মো. রাকিব হাসানের পক্ষে তার আইনজীবী ইশরাত জাহান তিন আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আবেদন করেন।

 

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি তামিমার প্রথম স্বামী রাকিব হাসান বাদী হয়ে এ মামলা করেন। ওই দিনই আদালত বাদীর জবান বন্দি গ্রহণ করেন। শুনানি শেষে মামলার অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে পিবিআইকে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

 

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১১ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি তামিমা ও রাকিবের বিয়ে হয়। তাদের আট বছরের একটি মেয়েও রয়েছে। তামিমা পেশায় একজন কেবিন ক্রু। চলতি বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি তামিমা ও নাসির হোসেনের বিয়ের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা রাকিবের নজরে আসে। পরে পত্র পত্রিকায় তিনি ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত জানতে পারেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *