Home আলোচিত ১৪ দিন পর সার্জেন্ট মহুয়ার মামলা নিল পুলিশ, আসামি অজ্ঞাত

১৪ দিন পর সার্জেন্ট মহুয়ার মামলা নিল পুলিশ, আসামি অজ্ঞাত

0
143

নজর২৪ ডেস্ক- অবশেষে ঘটনার ১৪ দিন পর সার্জেন্ট মহুয়া হাজংয়ের মামলা নিল বনানী থানা। তবে কোনো আসামির নাম উল্লেখ করা হয়নি। অজ্ঞাতদের বিরুদ্ধে আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়।

 

বনানী থানার ওসি নূরে আযম মিয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘মামলাটি রেকর্ড করা হয়েছে।’ তবে মামলার বিষয়ে বাদী মহুয়া হাজং জানিয়েছেন, তাঁকে থানা থেকে কিছু জানানো হয়নি।

 

মামলা নিতে দেরি হওয়ার বিষয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) বিভাগের উপকমিশনার মো. আসাদুজ্জামান আজ রাতে বলেন, ‘অভিযোগটি যাচাই-বাছাই করার প্রয়োজন ছিল, তদন্ত করে মামলা নেওয়া হয়েছে। বাদীর অভিযোগে কোনো অভিযুক্তের নাম ছিল না।’

 

এ বিষয়ে মনোরঞ্জন হাজংয়ের ছেলে মৃত্যুঞ্জয় হাজং বলেন, মামলা হয়েছে কি না আমরা এখনো জানি না। তবে যদি অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলাটি করা হয়ে থাকে তাহলে আর কী লাভ হবে? আমরা তো আসামির নাম নির্দিষ্ট করে অভিযোগ দিয়েছিলাম।

 

তবে এর আগে মামলার বাদী মহুয়া গণমাধ্যমকে বলেছিলেন, ‘নাম দেওয়ার পর বারবার মামলাটি ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। একপর্যায়ে অজ্ঞাত হিসেবে আবেদন করতে বলা হয়। তাই নতুন করে গত ৯ ডিসেম্বর এভাবে আবেদন করেন তিনি।’

 

গত ২ ডিসেম্বর রাত সোয়া ২টার দিকে রাজধানীর চেয়ারম্যান বাড়ি-সংলগ্ন ইউটার্নের মুখে গাড়িচাপায় আহত হন বিজিবি সদস্য মনোরঞ্জন হাজং। ঘটনার পর গত ৩ ডিসেম্বর জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে অস্ত্রোপচার করে মনোরঞ্জনের ডান পায়ের গোড়ালির নিচ থেকে কেটে ফেলা হয়।

 

এরপর সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় গত ৮ ডিসেম্বর দ্বিতীয় দফায় অস্ত্রোপচার করে তার ডান পায়ের হাঁটুর নিচ থেকে কেটে ফেলা হয়। তবে সংক্রমণ আরও বেড়ে যাওয়ায় ডান পায়ের উরু থেকে সম্পূর্ণ পা কেটে ফেলার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। সেটিও এরই মধ্যে করা হয়েছে।

 

পরে মনোরঞ্জনের শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি ঘটলে গত ১৩ ডিসেম্বর তাকে বারডেম হাসপাতালের আইসিইউ ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে। জানা গেছে তিনি এরমধ্যে হৃদরোগেও আক্রান্ত হয়েছেন।

 

মনোরঞ্জনের পরিবারের দাবি, যে গাড়িটি তাকে চাপা দিয়েছিল সেটি এক বিচারপতির ছেলে চালাচ্ছিলেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here