নজর২৪ ডেস্ক- টাঙ্গাইলে মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর মাজারে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে হা মলার শিকার হয়েছেন গণঅধিকার পরিষদের আহ্বায়ক ড. রেজা কিবরিয়া ও সদস্য সচিব নুরুল হক নুর।
হা মলার পর নুরকে কাগমারি পুলিশ ফাঁড়িতে ও রেজা কিবরিয়াকে টাঙ্গাইল সদর থানায় হেফাজতে নেওয়া হয়। প্রায় পৌনে তিন ঘণ্টা পর পুলিশের নিরাপত্তায় টাঙ্গাইল ছেড়েছেন তারা।
বুধবার (১৬ নভেম্বর) বিকাল সোয়া ৩টার দিকে সফরসঙ্গী ও দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে তারা টাঙ্গাইল ছাড়েন।
এদিকে, গণস্বাস্থ্যের ট্রাস্ট্রি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী মওলানা ভাসানীর মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে কাগমারি ফাঁড়িতে নুরুল হক নুরের সঙ্গে দেখা করে তাকে নিয়ে বের হন। এরপর সদর থানা থেকে ড. রেজা কিবরিয়াকে নিয়ে একত্রে ঢাকার দিকে রওনা হন।
এদিকে, হা মলার পর মাজার ও মওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় উত্তে জনা বিরাজ করে। আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে পুরো এলাকায়। পুলিশের প্রচেষ্টায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
নুরুল হক নুর বলেন, ‘আমরা মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তার মাজারে শ্রদ্ধা জানাতে এলে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা অত র্কিত ভাবে আমাদের ওপর হা মলা চালায়। এ সময় আমার সহযো দ্ধারা আমাকে নিরাপত্তা দিয়ে মাজারের পাশে থাকা একটি পুলিশভ্যানে তোলেন। এরপরও বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা লা ঠিসোঁ টা নিয়ে পুলিশের সামনেই পুনরায় হা মলা করে।
এক পর্যায়ে নিরাপত্তার স্বার্থে পুলিশ আমাদের সেখান থেকে টাঙ্গাইলের কাগমারি পুলিশ ফাঁড়িতে হেফাজতে নেয়। আর ড. রেজা কিবরিয়াকে টাঙ্গাইল সদর থানায় নেওয়া হয়। হা মলার ঘটনায় আমাদের অর্ধশত নেতাকর্মী আ হত হয়েছেন।’
মওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নিবিড় পাল বলেন, ‘ড. রেজা ও নুর সরকার ও প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে স্লোগান দিচ্ছিলেন। এ সময় ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে প্রতিবাদ করায় তারা আমাদের ওপর হা মলা করে। এতে ছাত্রলীগের চার সদস্য আ হত হয়েছে।’
টাঙ্গাইল থানার ওসি মীর মোশারফ হোসেন বলেন, “গণঅধিকার পরিষদের নেতারা মওলানা ভাসানীর মাজারের কাছাকাছি গেলে মওলানা ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা হা মলা চালান। পরে ধাওয়া-পা ল্টা ধা ওয়ার ঘটনা ঘটে।
“একপর্যায়ে কিবরিয়া ও নূরসহ গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের পুলিশি নিরাপত্তায় ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।”
গণফোরামের সাবেক নেতা রেজা কিবরিয়াকে আহ্বায়ক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ-ডাকসুর সাবেক সভাপতি নুরুল হক নূরকে সদস্য সচিব করে গত ১৭ নভেম্বর ‘বাংলাদেশ গণ অধিকার পরিষদ’ নামে এই নতুন দলের আত্মপ্রকাশ ঘটে।
প্রাথমিকভাবে পরিষদের গঠিত ৮৩ সদেস্যর আহ্বায়ক কমিটির সবাই নূরের সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্র, যুব, শ্রমিক অধিকার পরিষদের বর্তমান ও সাবেক নেতা।
