আয়াতুল হোসেন জাহিদ, রাজারহাট (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: রাজারহাট উপজেলার শরফ উদ্দিন মহিলা দাখিল মাদরাসা সুপারের জাল সার্টিফিকেট ধরা পরায় শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক সুপারকে চাকুরী থেকে অব্যাহতি ও বেতন ভাতার সরকারি অংশের সমূদয় টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত সংক্রান্ত নির্দেশ আজও বাস্তবায়ন হয়নি। দ্রুত নির্দেশনা বাস্তবায়নের দাবিতে রবিবার রাজারহাট প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এলাকাবাসী।
সংবাদ সম্মেলন ও অভিযোগে জানা যায়, উপজেলার শরফ উদ্দিন দাখিল মাদরাসা সুপার মোঃ নুরুজ্জামান সরকার চাকুরীরতবস্থায় মাদরাসার পরিদর্শন, নিরীক্ষা এবং তদন্ত প্রতিবেদনে জাল সার্টিফিকেটের সত্যতা পাওয়া যায়। এর প্রেক্ষিতে ২০১৫ইং সনের ১৮জুন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সহকারি সচিব নুরজাহান বেগম স্বাক্ষরীত পত্রে উক্ত সুপার কর্তৃক গৃহীত বেতন-ভাতার সরকারি অংশের সমূদয় অর্থ চালানের মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে জমার নির্দেশ দেয়া হয়। মাদরাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও তৎকালিন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে নির্দেশ বাস্তবায়ন করে চালানের পরীক্ষিত কপি মন্ত্রণালয়ে উপস্থোপনের নির্দেশ জারী করা হয়। এছাড়া কুড়িগ্রাম জেলা শিক্ষা অফিসারকে বিষয়টি নিশ্চিত করতে নির্দেশ করা হয়।
এরপ্রেক্ষিতে উক্ত মাদরাসা সুপার নুরুজ্জামান সরকার উচ্চ আদালতে একটি রীট পিটিশন করলে অর্ডারটি স্থগিত করা হয়। পরে গত ২০১৯ইং সনের ২২অক্টোবর রীট পিটিশনটি তালিকা থেকে বাদ দেয়া হয় বলে তিনি উল্লেখ করেন। একারণে ২০১৯ সনের ২২অক্টোবরের পর মন্ত্রণালয়ের পূর্ব নির্দেশনা অনুযায়ী তাকে চাকুরী থেকে অব্যাহতি ও বেতন ভাতার সরকারি অংশের সমূদয় টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত সংক্রান্ত নির্দেশনা বাস্তবায়ন হওয়ার কথা। তবে অজ্ঞাত কারনে তা এপর্যন্ত বাস্তবায়ন হয়নি বলে সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করা হয়।
রবিবার দুপুরে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা দ্রুত বাস্তবায়নের দাবীতে এলাকাবাসীর পক্ষে উক্ত মাদরাসা পরিচালনা কমিটির সাবেক সহ-সভাপতি ও মামলার একজন বিবাদী আব্দুস ছামাদ সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। এসময় তিনি রাজারহাট উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার পক্ষপাত মূলক কর্মকান্ডেরও অভিযোগ করেন। তবে রাজারহাট উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আশরাফুজ্জামান সরকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
