সাইফুল ইসলাম মুকুল, রংপুর ব্যুরো- রংপুরের বদরগঞ্জে মাদরাসা পড়ুয়া ছাত্রকে বলাৎকারের অভি’যোগে ইসমাইল হোসেন নামে এক শিক্ষককে গ্রে;ফতার করেছে পুলিশ। ওই শিক্ষক বিভিন্ন সময়ে ছাত্রদের নি’র্যাতন, নিপী’ড়ন ও বলাৎকার করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
বৃস্পতিবার সকালে বদরগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুর রহমান হাওলাদার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
শিশুর পরিবার ও থানা সূত্র জানায়, গত সোমবার মাদরাসার শিশুদের দিয়ে সড়কের মোড় ও বিভিন্ন স্থান থেকে চাঁদা কালেকশন করানো হয়। সেই ছাত্রদের মধ্যে ওই ভু’ক্তভোগী ছাত্র ছিল। দিন শেষে ক্লান্ত শরীরে মাদরাসায় ফেরে ছাত্রটি। রাতের খাবার খেয়ে শিশুটি সহপাঠীদের সঙ্গে ঘুমিয়ে পড়ে। ঘুমন্ত অবস্থায় শিশুটিকে অফিস কক্ষে ডাকেন শিক্ষক ইসমাইল হোসেন। সেখানে তাকে জো’রপূ’র্বক শারীরিক’ভাবে বলাৎকার করেন তিনি। পরে ওই ছাত্রকে তার কক্ষে পাঠিয়ে দেন শিক্ষক। মঙ্গলবার দুপুরে মাদরাসা থেকে বাড়িতে গিয়ে পুরো ঘটনাটি পরিবারকে অবগত করে ওই ছাত্র।
পরে অভিভাবকসহ স্থানীয়রা মাদরাসা কমিটির কাছে বলাৎকারের বিচার দাবি করলে বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হয়। এতে ওই শিক্ষকের শা’স্তির দাবিতে জড়ো হন স্থানীয়রা। খবর পেয়ে মঙ্গলবার রাতে অভি’যুক্ত শিক্ষককে ধরে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। এ ঘটনায় ওই রাতেই শিশুটির বাবা বাদী হয়ে ইসমাইল হোসেনের বিরুদ্ধে মা’মলা করেন।
মাদরাসা কমিটির সভাপতি আহসান হাবিব বলেন, শিক্ষক ইসমাইল হোসেন রংপুর সদরের মমিনপুর ইউনিয়নের হল্লাইপাড়া গ্রামের আইয়ুব আলীর ছেলে। তার বিরু’দ্ধে বলাৎকারের অভি’যোগ উঠায় মঙ্গলবার রাতে স্থানীয়দের সঙ্গে আলোচনা চলছিল। এ সময় পুলিশ এসে ইসমাইল হোসেনকে ধরে থানায় নিয়ে যায়।
বদরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুর রহমান হাওলাদার জানান, নি’র্যাতি’ত ছাত্রের অভিভাবকের অভি’যোগের প্রেক্ষিতে মাদরাসা থেকে ইসমাইল হোসেনকে গ্রে’ফতার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মা’মলা হয়েছে।
