সিরাজগঞ্জ-৬ (শাহজাদপুর) আসনের উপ-নির্বাচনের ভোট গ্রহন শেষ

রাজিব আহমেদ রাসেল, স্টাফ রিপোর্টার: শেষ হয়ে গেল জাতীয় সংসদের-৬৭ সিরাজগঞ্জ-৬ (শাহজাদপুর) আসনের উপ-নির্বাচনের ভোট গ্রহন। আজ মঙ্গলবার (২ নভেম্বর) সকাল ৮টা থেকে ইভিএমের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে বিকাল ৪টায় শেষ হয়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ভোটের হিসাব চলছে।

 

প্রধান বিরোধী দল বিএনপি নির্বাচন বর্জন করায় তেমন একটা উত্তাপ ছড়ায়নি একাদশ জাতীয় সংসদের এই উপ-নির্বাচন। এই নির্বাচনে নৌকা প্রতিক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বাংলাদেশ আঃলীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য প্রফেসর মেরিনা জাহান কবিতা, জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী মোক্তার হোসেন ও স্বতন্ত্র মোটরগাড়ি প্রতিকের প্রার্থী এ্যাডঃ হুমায়ূন কবির।

 

সরেজমিনে শাহজাদপুর পৌর শহরের পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে, দরগাহপাড়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও দরগাহপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রসহ কয়েকটি কেন্দ্র ঘুরে দেখা যায় সুশৃংখল পরিবেশে ভোট গ্রহণ চলছে। এসকল কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি তেমন একটা চোখে পরেনি। সকাল ৮টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত প্রায় ১০ শতাংশ ভোট পরেছে।

 

পরে উপজেলার হাবিবুল্লাহ নগর ইউনিয়নের নাড়ুয়া প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র, চর কাদই প্রাইমারি স্কুল কেন্দ্র, বড়মহারাজপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়, পোরজনা এমএন উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র ও জামিরতা ডিগ্রী কলেজে কেন্দ্র পরিদর্শন করে একই চিত্র চোখে পরে। সেখানেও ভোটার উপস্থিতি তেমন একটা চোখে পরেনি।

 

রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সংশ্লিষ্টরা বলছেন যেহেতু প্রধান বিরোধী দল বিএনপি নির্বাচনে অংশ নেয়নি এবং প্রতিদ্বন্দ্বী অন্যান্য প্রার্থীকে নির্বাচনী মাঠে তেমন একটা চোখে পরেনি, তাতে মনে হচ্ছে নৌকা প্রতিকের প্রার্থীই বিজয়ের দিকে এগিয়ে রয়েছে। ভোট গ্রহনের বিষয়ে তারা বলেন যেহেতু নিরুত্বাপ ভোট সেহেতু ভোটার উস্থিতি কম। সব মিলিয়ে প্রায় ২৫/৩০ শতাংশ ভোট পরার সম্ভাবনার কথা তারা জানান।

 

উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, শাহজাদপুর উপজেলায় ভোট ভোটার সংখ্যা ৪ লক্ষ ২০ হাজার ৭৮০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার সংখ্যা ২ লক্ষ ১৫ হাজার ৩৪৩ জন ও মহিলা ভোটার সংখ্যা ২ লক্ষ ৫ হাজার ৪৩৭ জন। মোট ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ১৬০টি, এর মধ্যে ৫৭টি কেন্দ্রকে ঝুকিপুর্ণ বিবেচনা করা হয়েছে।

 

রাজশাহী বিভাগের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মোঃ ফরিদুল ইসলাম জানান, নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সকল ব্যাবস্থা গ্রহন করা হয়েছিল। এই নির্বাচনে আইনশৃংখলা নিয়ন্ত্রনের রাখতে ৮ প্লাটুন র্যা ব, ৪ প্লাটুন বিজিবি, ৮ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ২ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোতায়েন ছিল।

 

তিনি আরো বলেন, নির্বাচনের দিন স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে পুলিশ, বিজিবি ও র্যা ব সদস্যরা টহল দিবেন। এবং প্রতিটি কেন্দ্রে ১২ জন আনসার সদস্য, ৪ জন পুলিশ ও ১ জন পুলিশের অফিসার দায়িত্বপালন করেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *