ভুঁড়ি নিয়ে রসিকতা, ‘কড়া’ জবাব দিলেন নেইমার

স্পোর্টস আপডেট ডেস্ক- বেশ কিছুদিন আগের ছবিটা। কোপা আমেরিকা শেষে তখন কাটাচ্ছিলেন ছুটি। নেইমারের পেট দেখা গেল ফুলে ফেঁপে ঢোল। রীতিমতো বড়সড় একটা একটা ভুঁড়ি বানিয়ে ছেড়েছেন ব্রাজিল তারকা। ভক্তদের তো আঁতকে ওঠারই কথা!

 

পিএসজির হয়ে ফিরেছেন এরপর, খেলেছেন ব্রাজিলের হয়েও। কিন্তু ভুঁড়ি কি আর অতো সহজে কমে! ব্রাজিলের জয়ের পরও তাই আলোচনার বিষয় হয়ে থাকল নেইমারের সেই ভুঁড়ি। পিএসজি তারকা হলেন রসিকতার শিকার। সেসব অবশ্য পাত্তাই দেননি তিনি। রসিকতার জবাব নেইমার দিলেন পাল্টা রসিকতায়। তাতে অবশ্য মিশে থাকল শ্লেষের সুরও।

 

রসিকতা, সমালোচনার শুরু অবশ্য পিএসজির হয়ে মাঠে নামার দিন থেকে। রক্ষণে সহায়তা করেননি সে ম্যাচে, আক্রমণ থেকে নামেননি নিচে। তার কারণ হিসেবে ফরাসি রক্ষণ দেখল তার মুটিয়ে যাওয়াকে। সংবাদ মাধ্যমে আলোচনা হলো, তিনি মুটিয়ে গেছেন, তাই প্রত্যাবর্তনটা সহজ হলো না ইত্যাদি ইত্যাদি।

 

এরপর ব্রাজিলের হয়ে মাঠে নেমেছেন, দলও জিতেছে। কিন্তু সমালোচনা থেকে রেহাই মেলেনি নেইমারের। দলও ভালো খেলেনি, তাই বলির পাঁঠা বানানো হলো নেইমারের ভুঁড়িকে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম তো আরেক কাঠি সরেস, নানা রকম মিম, আর ট্রলে বিদ্ধ করা হলো নেইমারকে। সেসব পড়েছে ব্রাজিল তারকার চোখেও। সেসবেরই জবাব দিলেন ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে।

 

প্রথমে রসিকতা করেই জানালেন, জার্সি ছোট দেওয়া হয়েছিল তাকে, যে কারণে বড় দেখাচ্ছিল তার ভুঁড়ি। সঙ্গে দলের জয়ের কথাও মনে করিয়ে দিতে ভুললেন না। বললেন, ‘আমরা ভালো খেলেছি তো? না। জয় তুলে নিয়েছি তো? হ্যাঁ।’

 

নিচের অংশে লিখলেন, ‘জার্সিটা ‘জি’ (ইউরোপীয় এল) সাইজের। আমি আমার ওজনমতোই আছি। পরের ম্যাচে আরেকটু বড় জার্সি দিতে বলবো।’ সঙ্গে জুড়ে দিয়েছিলেন কয়েকটি হাসির ইমোজি।

 

এরপরই শ্লেষের সুরে বললেন, ‘মাঠে আমরা তো নাচি, আর তোমরা তাই দেখো।’ সঙ্গে লিখেছিলেন আরও একটা অশ্রাব্য ভাষায় এক গালিও। এরপর সমালোচকদের জানিয়েছেন, তোমরা সমালোচনা করতে থাকো, আমরা জিততে থাকবো, ইতিহাস গড়তে থাকবো।

 

তবে নেইমার যাই বলুন, শেষ কিছুদিনে তার এমন মুটিয়ে যাওয়া ব্রাজিল ভক্ত-সমর্থকদের প্রমাদ গুণতে বাধ্য করছে বটে। ৩০ পেরোলেই ব্রাজিলীয়রা ফুরিয়ে যায় অনিয়ন্ত্রিত জীবন যাপনের কারণে। নেইমারের ভুঁড়ি যেন তারই সূচক। এমন অপবাদ যে আবারও মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে যে কারণে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *